পেঁয়াজ-রসুনের অপচয় ঠেকাতে ৮ হাজার এয়ার ফ্লো মেশিন স্থাপনের পরিকল্পনা: কৃষিমন্ত্রী
দেশে পেঁয়াজ ও রসুনের অধিক উৎপাদনশীল এলাকায় সরকার মোট ৮ হাজার এয়ার ফ্লো মেশিন স্থাপনের পরিকল্পনা নিয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। এর মাধ্যমে পেঁয়াজ-রসুনের অপচয় কমবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ তথ্য জানান।
রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. হারুন-অর-রশিদের লিখিত প্রশ্নে তিনি বলেন, “নির্বাচনি এলাকা রাজবাড়ী-২ এর পাংশা, বালিয়াকান্দি ও কালুখালী উপজেলায় দেশের মোট উৎপাদিত পেঁয়াজের ২০-২৫ শতাংশ উৎপাদিত হয়। এ তিন উপজেলায় মোট ৩৪ হাজার ৪৭০ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজের আবাদ হয় এবং আনুমানিক ৫ লাখ ৬৮ হাজার ৭৫৫ মেট্রিক টন পেঁয়াজ উৎপাদিত হয়। তবে সংরক্ষণের অভাবে এর মধ্যে ২০-৩০ শতাংশ নষ্ট হয়ে যায়।”
তিনি বলেন, “যদি ১০ থেকে ১২ হাজার এয়ার ফ্লো মেশিন সরকারিভাবে দেওয়া হয়, তাহলে উৎপাদিত পেঁয়াজের ১৫ থেকে ২৫ শতাংশ কম নষ্ট হবে, সরকারিভাবে এয়ার ফ্লো মেশিন বৃদ্ধির কোনো পরিকল্পনা আছে কিনা; থাকলে তা কী?”
জবাবে কৃষিমন্ত্রী বলেন, “পেঁয়াজ সংরক্ষণে ইতোমধ্যে কৃষক পর্যায়ে প্রণোদনার মাধ্যমে পাংশা উপজেলায় ৫০৫টি, কালুখালী উপজেলায় ২৬০টি এবং বালিয়াকান্দি উপজেলায় ৪৯৫টি এয়ার ফ্লো মেশিন সরবরাহ ও স্থাপন করা হয়েছে।”
তিনি আরো বলেন, “কৃষক পর্যায়ে পেঁয়াজ ও রসুন সংরক্ষণের লক্ষ্যে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর ‘বায়ু প্রবাহ পদ্ধতিতে পেঁয়াজ ও রসুন সংরক্ষণ পদ্ধতি আধুনিকায়ন এবং বিপণন কার্যক্রম উন্নয়ন' শীর্ষক একটি প্রকল্প প্রণয়ন করেছে।”
প্রকল্পটি বর্তমানে কৃষি মন্ত্রণালয়ে পর্যালোচনাধীন রয়েছে বলেও জানান তিনি।
মন্ত্রী বলেন, “প্রকল্পের আওতায় রাজবাড়ী জেলাসহ পেঁয়াজ ও রসুনের অধিক উৎপাদনশীল এলাকায় মোট ৮ হাজার এয়ার ফ্লো মেশিন স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রকল্প অনুমোদন সাপেক্ষে রাজবাড়ী-২ আসনের পাংশা, বালিয়াকান্দি ও কালুখালী উপজেলায় ৮০০ থেকে ১,০০০টি এয়ার ফ্লো মেশিন স্থাপন করা হবে।”
ঢাকা/আসাদ/সাইফ
বনানীতে বহুতল ভবনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৫ ইউনিট