ঢাকা     রোববার   ১৭ মে ২০২৬ ||  জ্যৈষ্ঠ ৩ ১৪৩৩ || ২৯ জিলকদ ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

ইমোতে জীবন বদলে যাওয়ার গল্প

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি ডেস্ক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৮:৫৭, ২ ফেব্রুয়ারি ২০২১  
ইমোতে জীবন বদলে যাওয়ার গল্প

বাংলাদেশে ‘সেলিব্রেট লাইফ টুগেদার’ ক্যাম্পেইন শুরু করেছে জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপ ইমো। এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে এমন কিছু মানুষের গল্প ভিডিওচিত্রের মাধ্যমে সামনে নিয়ে আসা হবে, যারা ইমো ব্যবহার করে জীবনযাত্রার মান উন্নত করার পাশাপাশি নিজেদের স্বপ্ন পূরণ করতে পেরেছেন। এছাড়াও ক্যাম্পেইনটির আরেকটি উদ্দেশ্য হলো, সকল ধরনের মানুষকে তাদের অনুপ্রেরণামূলক গল্প শেয়ার এবং ইমো’র সঙ্গে তাদের জীবনকে উপভোগ করতে উৎসাহিত করা।

প্রথম গল্প হিসেবে ইউটিউবে https://youtu.be/cRAluc8QtFE মেঘার গল্প দেখা যাবে। ২৬ বছর বয়সী তরুণী মেঘা ইমোর মাধ্যমে কীভাবে তার ক্যারিয়ার নতুনভাবে শুরু করে নিজের স্বপ্ন পূরণ করেছেন, সেটি উঠে এসেছে এই ভিডিওর মাধ্যমে। এছাড়াও, এই ক্যাম্পেইনের আওতায় পুরো বছর জুড়ে দেখানো হবে আরো কিছু নতুন মানুষের সফলতার গল্প।

গত মার্চ থেকে কোভিড-১৯ এর পুরো সময়জুড়ে অনেক মানুষ যখন চাকরি হারিয়েছে, তখন মেঘা প্রতিমাসে প্রায় ৩,০০০ মার্কিন ডলার আয় করেছে। শুরুতে তার ধারণা ছিল না ইমো’র মাধ্যমে টাকা উপার্জন করা সম্ভব। প্রথমে তার একজন বন্ধুর আহ্বানে তিনি কয়েকটি ইমো গ্রুপে যুক্ত হন। তবে শিক্ষাভিত্তিক একটি গ্রুপে যুক্ত হওয়াটি ছিল তার জীবনের মোড় ঘুরানো মুহূর্ত। তিনি মন্ত্রমুগ্ধের মতো প্রতিদিন নতুন জিনিস শিখতে থাকেন এবং একজন ইমো হোস্ট হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। 

এখন মেঘা প্রতিদিন প্রায় ৭৫টি গ্রুপ সক্রিয়ভাবে পরিচালনা করে। তার সবচেয়ে বড় গ্রুপটিতে ৭৮,০০০ এর অধিক এবং সবচেয়ে ছোট গ্রুপটিতে প্রায় ২২,০০০ সদস্য রয়েছে। এখন তিনি অন্যদেরকেও বিভিন্ন গ্রুপে সংযুক্ত হতে এবং নিজের গ্রুপ তৈরি করতে উৎসাহিত করছেন। 

মেঘা বলেন, ‘আমি ইমোকে শুধুমাত্র একটি মেসেজিং এবং কলিং অ্যাপ হিসেবে সীমাবদ্ধ করে রাখব না। আমি বরং বলবো সীমাহীন সুযোগ এই অ্যাপে অপেক্ষা করছে। এটি আমাকে জীবিকা নির্বাহে সহায়তা করে আসছে এবং আমি বিশ্বাস করি এটির মাধ্যমে অনেকের জীবন পরিবর্তন করা সম্ভব, বিশেষ করে নারী এবং গৃহিণী যারা সাধারণত বাসার বাইরে খুব একটা বের হননা।’

ইমো’র ভাইস প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টোফার হিউ বলেন, ‘ইমো-তে আমরা মানুষকে সংযুক্ত করতে এবং তাদের জীবনমান উন্নত করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। আমরা গর্বিত যে ইমো ব্যবহারকারীরা এটিকে তাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানাচ্ছেন এবং তাদের জীবনের অর্জনে ইমো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।’

ইনস্ট্যান্ট কমিউনিকেশন মাধ্যম হিসেবে ২০২০ সালে ইমো ব্যবহারের সংখ্যা রেকর্ড ছুঁয়েছে। বাংলাদেশিরা প্রায় ৯,৬৮০ কোটি মেসেজ এবং ২,৬০০ কোটি অডিও ও ভিডিও কল ইমো’র মাধ্যমে করেছেন। এছাড়াও ইমো স্থানীয়করণ এবং শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তির মাধ্যমে ২০২০ সালে বাংলাদেশের ব্যবহারকারীদের অডিও ও ভিডিও কলে প্রায় ১৫ কোটি গিগাবাইট ডাটা বাঁচিয়েছে। 

ইনস্ট্যান্ট কমিউনিকেশন মাধ্যম ছাড়াও ইমো মাইপ্ল্যানেট কন্টেন্ট ফিড, ভয়েসরুম এবং গেমস ইত্যাদির মতো ইন্টারঅ্যাকটিভ ফাংশন তৈরি করেছে- যেখানে মানুষ তাদের আগ্রহের বিষয় জানাতে পারে, প্রতিভার বিকাশ এবং জীবনের নতুন নতুন সম্ভাবনা খুঁজে বের করতে পারে।  

ইমো’র #CelebratelLifetTogether ক্যাম্পেইনে জয়েন করতে চাইলে যেকোনো ইমো ব্যবহারকারী নিজের মৌলিক গল্প ক্যাম্পেইনের হ্যাশট্যাগ দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এবং ইমো’র মাইপ্ল্যানেটে শেয়ার করতে পারবেন।

ঢাকা/ফিরোজ

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়