বৃষ্টি আইনে ১৭ রানে আফগানিস্তানের জয়
সাইফুল ইসলাম রিয়াদ, চট্টগ্রাম থেকে || রাইজিংবিডি.কম
বাংলাদেশ: ১৬৯/৯ (৪৩ ওভার)
আফগানিস্তান: ৮৩/২ (২১.৪ ওভার)
ফল: আফগানিস্তান ১৭ রানে জয়ী।
বৃষ্টি আইনে ১৭ রানে জিতে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেলো আফগানিস্তান। এর আগে তৃতীয় দফায় বৃষ্টির পর নতুন সময় ঘোষণা করা হয়। প্রস্তুত ছিল মাঠও। কিন্তু বেরসিক বৃষ্টি আবার হানা দেয়। শেষ পর্যন্ত ১০.৩৪ মিনিটে বৃষ্টি আইনে আফগানিস্তানকে জয়ী ঘোষণা করা হয়। ১৬৪ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে দারুণ শুরু করে আফগানিস্তান। ৫৪ রানে প্রথম উইকেট হারায় তারা। ৭০ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারালেও এরপর আর বিপদে পড়তে হয়নি। ৮৩ রানের পর আসে বৃষ্টি। ততক্ষণে বৃষ্টি আইনে তারা এগিয়ে ছিল। ইবরাহিম জাদরান ৪১ রানে অপরাজিত ছিলেন। সাকিব-তাসকিন ১টি করে উইকেট নেন। সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ ৮ জুলাই, একই মাঠে অনুষ্ঠিত হবে।
তৃতীয় দফায় বৃষ্টি, খেলা না হলে জিতবে আফগানিস্তান
এবার আফগানিস্তান ইনিংসে বৃষ্টির হানা। ২১.৪ ওভার পর ঝুম বৃষ্টি নামে। খেলা না হলে বৃষ্টি আইনে জিতে যাবে আফগানিস্তান। খেলা বন্ধ হওয়ার আগে আফগানদের সংগ্রহ ২ উইকেটে ৮৩। বৃষ্টি আইনে ২১.২ ওভারে আফগানদের প্রয়োজন ছিল ২ উইকেটে ৬৬, তবে এ সময় তাদের তাদের রান আছে ৮৩। এখানে খেলা শেষ হলে ১৭ রানে জিতবে আফগানরা।
তাসকিনের গতিতে পরাস্ত রহমত শাহ
সাকিব শুরুটা করে দিয়েছেন, এবার তাতে যুক্ত হলেন স্পিড স্টার তাসকিন। আউটসাইড অফের লেন্থ বলে খোঁচা দিয়ে বসেন রহমত। প্রথম স্লিপে দারুণ ক্যাচ ধরেন লিটন দাস। প্রথম উইকেটের পর ১৬ রানের ব্যবধানে দ্বিতীয় উইকেটের দেখা পেলো লাল সবুজের দল। ১ চারে ১৪ বলে ৮ রান করেন রহমত। ক্রিজে ইবরাহীমের সঙ্গী আফগান অধিনায়ক হাশমতুল্লাহ।
অবশেষে সাকিবের ঘূর্ণিতে উইকেটের দেখা পেলো বাংলাদেশ
সাকিবের ঘূর্ণিতে ভাঙল আফগান ওপেনিং জুটি। সাজঘরে ফেরান ওপেনার রহমানুল্লাহ গুরবাজকে। ১৫ ওভার চলে গেলেও কোনো উইকেটের দেখা নেই। ষোলোতম ওভারে ত্রাতা হয়ে আসেন সাকিব। চতুর্থ বলে গুরবাজ মিডউইকেটে ফিল্ডারের মাথার উপর দিয়ে উড়িয়ে মারতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ব্যাটে-বলে এক হয়নি। সাহ্নত শর্ট মিডউইকেটে দারুণ ক্যাচ ধরেন। ৪৫ বলে গুরবাজ ২২ রান করেন। ৫৪ রানে ভাঙে আফগানদের উইকেট জুটি। ক্রিজে ইরাহীমের সঙ্গী রহমত।
উইকেটবিহীন ১০ ওভার
লক্ষ্য মাত্র ১৬৪। হাতে ওভার ৪৩টি। তাইতো শুরু থেকে সাবধানী দুই আফগান ওপেনার রহমানউল্লাহ গুরবাজ-ইব্রাহিম জাদরান। দুজনে ১০ ওভারে তুলেছেন ৩২ রান। দুই ডানহাতি ব্যাটসম্যান কোনো সুযোগ দিচ্ছেন না স্বাগতিক বোলারদের। বাংলাদেশের ৩ পেসার একসঙ্গে বোলিং করছেন। আক্রমণে যোগ দিয়েছেন সাকিব আল হাসানও। কিন্তু তারা কেউই জুটি ভাঙতে পারেননি।
১৬৯ রানে থামলো বাংলাদেশ, বৃষ্টি আইনে কমেছে লক্ষ্য
১৬৯ রানে থামলো বাংলাদেশের ইনিংস। বৃষ্টি আইনে আফগানদের সামনে লক্ষ্য আরও কমেছে। জয়ের জন্য ৪৩ ওভারে ১৬৪ রান করতে হবে সফরকারীদের। তামিম-লিটনের সতর্ক শুরু দেখিয়েছিল সম্ভাবনা। ফারুকির শিকার হয়ে তামিম ফেরার পর থেকে পতনের শুরু। লিটন দারুণ খেলার আভাস দিয়ে ফেরেন উড়িয়ে মারতে গিয়ে। তার ব্যাট থেকে আসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৬ রান। হাল ধরতে পারেননি শান্ত (১২)। লিটনের পর বিদায় নেন তিনি। তখনো সাকিব-হৃদয় ক্রিজে থাকায় কোনো চাপ ছিল না। কিন্তু প্রথম দফায় বৃষ্টির পর সাকিব-মুশফিক পর পর ফেরায় চাপ বাড়ে। সাকিব ১৫ মুশফিক ১ রান করেন। এরপর একে একে উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ। আবার বৃষ্টি এসে খেলা থামিয়ে রাখে প্রায় দেড় ঘণ্টা (৮৫ মিনিট)। এক প্রান্তে হৃদয় আগলে রেখে স্কোর পার করেন দেড়শ। হৃদয় সর্বোচ্চ ৫১ রান করেন। এটি তার ক্যারিয়ারের তৃতীয় ফিফটি। শেষ ৬ ব্যাটসম্যানের কেউই দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছাতে পারেননি। আফগানদের হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন ফারুকি। ২ উইকেট করে জমা হয় রশিদ-মুজিবের ঝুলিতে।
স্রোতের বিপরীতে দাঁড়িয়ে হৃদয়ের তৃতীয় ফিফটি
এক প্রান্তে যখন আসা যাওয়ার মিছিল অন্য প্রান্তে তখন ঢাল হয়ে দাঁড়ান হৃদয়। আগলে রেখে খেলতে থাকেন। কিন্তু সঙ্গী হিসেবে কাউকে না পাওয়ায় রানের চাকা সচল রাখতে পারছিলেন না। ফারুকিকে মিড উইকেটে খেলে ডাবলস নিয়ে ফিফটির দেখা পান তিনি। দলের অবস্থা খারাপ দেখে ফিফটির উদযাপনও করেননি। তার ৬৭ বলে ফিফটির ইনিংসে চারের মার ছিল ৩ টি। ফিফটির পর এক বল ডট দিয়ে ফারুকির শিকার হয়ে ফেরেন সাজ ঘরে। ৬৯ বলে ৫১ রান করেন তিনি। ক্রিজে লড়ছে হাসান-মোস্তাফিজের শেষ জুটি।
৭৫ বল পর ‘চার’ দেখলো বাংলাদেশ
আজমতুল্লাহ অফে দারুন ড্রাইভে চার হাঁকান পেসার হাসান মাহমুদ। ৭৫ বল পর বাউন্ডারির দেখা পেয়েছে স্বাগতিক দল। এর আগে ৫৬ বল বিরতির পর বাউন্ডারি পেয়েছিল বাংলাদেশ। এখন পর্যন্ত ৩৯ ওভারে (২৩৪ বল) বাংলাদেশ ডট খেলে ১৪৬টি। বাউন্ডারি আসে মাত্র ১০টি।
দেড়শর পর সাজঘরে তাসকিন
মুজিবের ঘূর্ণিতে পরাস্ত তাসকিন। বল পায়ে লাগলে জোরালো আবেদনে সাড়া দেন আম্পায়ার। তাসকিন রিভিউ নেন, কিন্তু কোনো লাভ হয়নি। ১৯ বলে ৭ রান করেন তাসকিন। তাসকিনের আউটের আগে ৩৬.৩ ওভারে বাংলাদেশ দেড়শ পূর্ণ করে। অপর প্রান্তে একাই লড়ছেন হৃদয়। তিনি এখন ফিফটির পথে।
বৃষ্টির পেটে ৭ ওভার, খেলা শুরুর সময় ঘোষণা
দ্বিতীয় দফায় বৃষ্টির কারণে ৭ ওভার কমে গেছে। খেলা হবে ৪৩ ওভারে। শুরু হবে ৬.৫০ মিনিটে। তিনজন বোলার সর্বোচ্চ ৯ ওভার বোলিং করতে পারবে। আর ৮ ওভার করতে পারবে ২ জন বোলার।
সাগরিকার পাড়ে রোদ-বৃষ্টির লুকোচুরি
সূর্যের আলোতে তাকানো যাচ্ছে না। এর মধ্যেই ঝরছে বৃষ্টি। ৩৪.৩ ওভার পর ফের বন্ধ খেলা। পিচ ও তার আশেপাশে কাভারে ঢাকা। আউটফিল্ডের অধিকাংশ ভিজছে বৃষ্টির পানিতে। এর আগে ১৫ ওভার পর বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ ছিল। বৃষ্টির পর ধস নামে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে। বাংলাদেশের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ১৪৪। ক্রিজে হৃদয়-তাসকিন।
উইকেটের মিছিলে এবার মিরাজ
ফারুকিকে পুল করতে গিয়ে বিপাকে মিরাজ। বল ব্যাট মিস করে লাগে পায়ে। জোরালো আবেদনে সাড়া দেন আম্পায়ার। শর্ট বল হওয়াতে মিরাজ ভেবেছিলেন স্ট্যাম্পের উপর দিয়ে যাবে, তাই দ্রুত নেন রিভিউ। কিন্তু কাজে আসেনি। বাংলাদেশ রিভিউ হারায় সঙ্গে মিরাজের উইকেটও। ২৩ বলে ৫ রান করেন মিরাজ। দেড়শর আগেই নেই ৭ উইকেট। অন্য প্রান্তে হৃদয় লড়ছেন একা। এবার তার সঙ্গী তাসকিন।
পারলেন না আফিফও
এবার আফিফ! পারলেন না হৃদয়ের সঙ্গে জুটি গড়ে দলকে বিপদ মুক্ত করতে। রশিদের ঘূর্ণিতে পরাস্ত হয়ে ফিরলেন সাজঘরে। রশিদকে ফ্লিক করতে চেয়েছিলেন আফিফ। বল ব্যাট ফাঁকি দিয়ে লাগে প্যাডে। জোরালো আবেদনে সাড়া দেননি আম্পায়ার। রিভিউ নিলে সিদ্ধান্ত আসে আফগানদের পক্ষে। বাংলাদেশের বিপদ বাড়িয়ে মাত্র ৪ রানে ফিরলেন আফিফ। ১২৮ রানে নেই ৬ উইকেট। ক্রিজে হৃদয়ের সঙ্গী মিরাজ। রশিদ নিয়েছেন সর্বোচ্চ ২ উইকেট। আর দুই স্পিনার মুজিব-নবী নেন ১টি করে। বাংলাদেশ যেন স্পিন খেলতে পারছে না।
রশিদের ঘূর্ণিতে বোল্ড মুশফিক!
রশিদের লেন্থ বল ব্যাকফুটে গিয়ে পুল করতে চেয়েছিল মুশফিকুর রহিম। ব্যাটে-বলে এক হলো না। পায়ের মাঝ দিয়ে বল চলে যায় উইকেটে। সাকিবের আউটের এক ওভার না যেতেই বোল্ড মুশফিক! ৩ বলে ১ রান করেন তিনি। ১১২ রান ৫ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ক্রিজে হৃদয়ের সঙ্গী আফিফ। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে বাদ পড়ার আবার সুযোগ পেয়েছেন আফিফ। আজ তার নিজেকেই প্রমাণ করার পালা।
নবীর দুর্দান্ত ক্যাচে সাকিবের বিদায়
আজমতুল্লাহকে কাভারে ড্রাইভ করেছিলেন সাকিব। বাঁধা হয়ে দাঁড়ান সেখানে ফিল্ডিং করা আরেক অলরাউন্ডার নবী। ডান দিকে ঝাঁপিয়ে নিচু হয়ে যাওয়া বল দ্রুতই তালুবন্দি করেন নবী। লিটন-শান্তর আউটের পর হৃদয়কে নিয়ে প্রতিরোধ গড়েন সাকিব। কিন্তু সেট হওয়ার পর শটস খেলতে গিয়ে ফেরেন সাজঘরে। সাকিবের আউটে ভাঙে ৬৫ বলে ৩৭ রানের জুটি। ৩৮ বলে ১৫ রান করেন সাকিব। ছিল না কোনো বাউন্ডারির মার। ক্রিজে হৃদয়ের সঙ্গী মুশফিক।
সাকিব-হৃদয়ের জুটিতে বাংলাদেশের সেঞ্চুরি
পর পর লিটন-শান্তর বিদায়ের পর সাকিব-হৃদয়ের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ। দুজনের জুটিতে ইতিমধ্যে ২০.৫ ওভারে বাংলাদেশ দলীয় শতরান পূর্ণ করে। দুজনে খেলছেন দেখেশুনে, রয়েসয়ে কিছুটা ধীরগতিতে। দুজনের জুটি থেকে এখন পর্যন্ত আসে ৬২ বলে ৩৫ রান।
মেঘলা আবহাওয়ায় ফের খেলা শুরু
ঝড়-বৃষ্টি থামলেও আকাশ এখনো পরিষ্কার হয়নি। দেখা যাচ্ছে মেঘের ভেলা। প্রায় আধঘণ্টার মতো খেলা বন্ধ থাকলেও কাটা হয়নি কোনো ওভার। ব্যাটিংয়ে নেমেছেন সাকিব-হৃদয়। বৃষ্টির আগে পর পর ২ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। সেই চাপ কাটানোর চেষ্টা করছেন সাকিব-হৃদয়।
৪.১০ মিনিটে খেলা শুরু, কমছে না ওভার
চট্টগ্রামে বৃষ্টি থেমেছে। কাভার সরানো হয়েছে ইতিমধ্যে। চলছে মাঠ প্রস্তুতের কাজ। ৪.১০ মিনিটে খেলা শুরু হবে। কোনো ওভার কমছে না।
ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টিতে বন্ধ খেলা, বিড়ম্বনায় দর্শকরা
খেলা শুরুর প্রথম ঘণ্টা পেরোনোর পর থেকে আকাশ মেঘলা হতে থাকে। ১৫.১ ওভার শেষে ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে নামে ঝুম বৃষ্টি। মিনিট কয়েকের মধ্যে বৃষ্টির তীব্রতা কমে যায়, আবার বেড়ে যায়। এভাবে চলছে বৃষ্টির লুকোচুরি খেলা। বিড়মম্বনায় পড়েছেন খোলা আকাশের নিচে গ্যালারিতে থাকা দর্শকরা। বৃষ্টি শুরুর সঙ্গে সঙ্গে চারদিকে ছুটোছুটি করতে দেখা যায় তাদের। পশ্চিমের গ্যালারিতে থাকা দর্শকদের কাক-ভেজা হওয়া কিংবা বের হয়ে যাওয়া ছাড়া কোনো উপায় নেই। খেলা বন্ধ হওয়ার আগে ১৫.১ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৮৪ রান। ক্রিজে আছেন সাকিবব-হৃদয়।
পর পর দুই ওভারে লিটন-শান্তর বিদায়
লিটনের পর আউট শান্ত। পরপর ২ ওভারে ২ উইকেট হারালো বাংলাদেশ। মুজিবের পর নিজের প্রথম ওভার করতে এসে প্রথম বলেই উইকেট নিলেন নবী। শান্ত হাঁটু গেঁড়ে সুইপ করতে চেয়েছিলেন। টাইমিং ঠিক হয়নি। শর্ট ফাইন লেগে সহজ ক্যাচ ধরেন অভিষিক্ত সালিম। ২ চারে ১৬ বলে ১২ রান করেন শান্ত। পর পর ২ উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে বাংলাদেশ। ক্রিজে সাকিবের সঙ্গী তাওহীদ হৃদয়।
মুজিবের ঘূর্ণিতে পরাস্ত লিটন দাস
আগের ওভারে সালিমকে দৃষ্টি নন্দন পুলে বাউন্ডারির বাইরে আছড়ে ফেলেন লিটন। ১১তম ওভারে আসে ইনিংসের প্রথম ছক্কা। পরের ওভারে মুজিবকে পুল করতে গিয়ে ডিপ মিডউইকেটে ধরা পড়েন লিটন। ৩৫ বলে ২ চার ও ১ ছয়ে ২৯ রান করেন লিটন। তার আউন্টে ভেঙে যায় শান্তর সঙ্গে গড়া ২৯ বলে ৩৫ রানের জুটি। ক্রিজে শান্তর সঙ্গী সাকিব আল হাসান।
আবার সেই ফারুকির শিকার তামিম
ফারুকির সপ্তম ওভারের প্রথম বলে পয়েন্টে দারুণ চার মেরেছিল তামিম ইকবাল। পরের তিন বল ডট দিয়ে ওভারের পঞ্চম বলে খোঁচা দিয়ে বসেন। ফিফথ স্ট্যাম্পে করা ফারুকির লেন্থ বল ডিপ থার্ডে খেলতে চেয়েছিলেন তামিম, কিন্তু টাইমিংয়ে গড়বড়। বল ব্যাটের কানায় লেগে চলে যায় উইকেটের পেছনে। ২১ বলে ২ চারে ১৩ রান করেন ওয়ানডে অধিনায়ক। এই নিয়ে চার বার ফারুকির শিকার হয়ে সাজঘরে ফেরেন তামিম। তার বিপক্ষে রানের গড় মাত্র ৫। এখন পর্যন্ত ক্রিজে লিটন দাসের সঙ্গী নাজমুল হোসেন শান্ত।
লিটন-তামিমে বাংলাদেশের সতর্ক শুরু
উদ্বোধনী জুটিতে অধিনায়ক তামিম ইকবাল ও সহ-অধিনায়ক লিটন দাস সতর্ক সূচনা করেছেন। ৫ ওভারে ৪.৮ গড়ে রান তুলেছেন ২৪টি। তামিম ১৬ বল খেলে ১ চারে ৯ রানে এবং লিটন ১৪ বল খেলে ৩ রানে অপরাজিত আছেন। আফগানিস্তানের দুই পেসার ফজল হক ফারুকি ও মোহাম্মদ সালিমকে খেলতে বেগ পেতে হচ্ছে তামিম-লিটনকে। ফারুকি প্রথম ওভার মেডেন নেন। এরপরও তাকে খেলতে পারছিল না তামিম-লিটন। ৩ ওভারে রান দেন মাত্র ৭টি।
ফিরেছেন সাকিব-আফিফ
বাংলাদেশ একাদশে তিনি পরিবর্তন এসেছে। একাদশে ফিরেছেন সাকিব আল হাসান, আফিফ হোসেন ও তাসকিন আহমেদ। বাদ পড়েছেন রনি তালুকদার, ইবাদত হোসেন চৌধুরী ও মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী।
বাংলাদেশ একাদশ তামিম ইকবাল (অধিনায়ক), লিটন দাস, নাজমুল হোসেন শান্ত, সাকিব আল হাসান, তাওহীদ হৃদয়, মুশফিকুর রহিম, মেহেদী হাসান মিরাজ, আফিফ হোসেন ধ্রুব, তাসকিন আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান, হাসান মাহমুদ।
টস
চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে মুখোমুখি বাংলাদেশ-আফগানিস্তান। বুধবার (৫ জুলাই) দুপুর ২টায় খেলাটি শুরু হয়। টস হেরে এই ম্যাচে ব্যাটিং করছে বাংলাদেশ।
আফগানিস্তান একাদশ
রহমতউল্লাহ গুরবাজ, ইব্রাহিম জাদরান, রহমত শাহ, হাসমতউল্লাহ শহীদি, মোহাম্মদ নবী, নাজিবুল্লাহ জাদরান, রশিদ খান, মুজিবউর রহমান, ফজল হক ফারুকী, আজমতউল্লাহ ওমরজাই ও মোহাম্মদ সেলিম (অভিষেক)।
আলোচনায় তামিমের ফিটনেস
সিরিজপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে তামিম জানালেন তিনি ফিট আছেন, তবে শতভাগ নন। ‘আমি অবশ্য কালকের জন্য (প্রথম ওয়ানডে) অ্যাভেইলেবল। শরীরটা আগের চেয়ে ভালো। তবে এটা বলবো না পুরোপুরি শতভাগ (ফিট আছে)। কালকে খেলার পর বুঝতে পারবো কি অবস্থা। এখন পর্যন্ত (যেটা) আমি আগামীকাল খেলবো।’ তার এমন মন্তব্যের পর সমালোচনা চলছে চারদিকে। গণমাধ্যমের সংবাদ অনুযায়ী বিসিবি প্রেসিডেন্টও ক্ষিপ্ত হয়েছেন।
আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ
সাগরিকার পাড়ে আফগানিস্তানের বিপক্ষে শেষ সিরিজে ২-১ ব্যবধানে জয় আর অতীত রেকর্ড বলছে ফেভারিট স্বাগতিকরাই। অধিনায়ক তামিম-ই এমন কথা বললেন, ‘আমার মনে হয় শেষ সিরিজ যেভাবে ছিল এই সিরিজ এরকমই থাকবে। তারা ভালো দল, বিশেষ করে সাদা বলের ক্রিকেটে। বিশ্বের অন্যতম সেরা বোলিং অ্যাটাক। গত সিরিজ থেকে কম কিছু আশা করছি না।’
ফুরফুরে আফগানিস্তান
আফগানরা ছেড়ে দেওয়ার পাত্র নন। নিজেদের দিনে তারা যে কাউকেই হারাতে পারে তা ক্রিকেটবিশ্ব দেখেছে বহুবার। বাইশ গজে যারা ভালো খেলবে তারাই শেষ হাসি হাসবে। আফগান অধিনায়ক হুংকার দিয়ে বাংলাদেশকে সাবধান থাকতে বললেন, ‘আমরাও এখানে খেলতে এসেছি। ক্রিকেট খেলে ম্যাচ জিততে এসেছি। অবশ্যই তারা বেশ ভালো ক্রিকেট খেলেছে। আমরাও এখানে ভালো খেলে জিততে এসেছি। আমরা গত দুই বছর ধরে ভালো ক্রিকেট খেলছি।’
মুখোমুখি লড়াই
বাংলাদেশ-আফগানিস্তান এখন পর্যন্ত মুখোমুখি হয়েছে ১১ বার। বাংলাদেশের জয় ৭টি। সবশেষ গত বছর চট্টগ্রামেই ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতেছে লাল সবুজের দল। এ ছাড়া বাংলাদেশের মতো আফগানিস্তানও সরাসরি ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপে খেলার টিকিট পেয়েছে। সুপার লিগে ৯ ম্যাচ কম খেলেও আফগানদের কোয়ালিফাই খেলতে হয়নি। ১৫ ম্যাচের মধ্যে ১১টিতেই জয়।
চট্টগ্রাম/রিয়াদ