ঢাকা     রোববার   ২১ জুলাই ২০২৪ ||  শ্রাবণ ৬ ১৪৩১

রিশাদ-মোস্তাফিজ নেদারল্যান্ডসের থেকে ম্যাচটা ছিনিয়ে এনেছে: সাকিব

ক্রীড়া ডেস্ক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ০১:২২, ১৪ জুন ২০২৪  
রিশাদ-মোস্তাফিজ নেদারল্যান্ডসের থেকে ম্যাচটা ছিনিয়ে এনেছে: সাকিব

স্কোরবোর্ডে পুঁজি কেবল ১৫৯ রান। নেদারল্যান্ডসের জন্য এই রানটা বড় হওয়ার-ই কথা। কিন্তু তাদের ব্যাটিং দেখে বোঝাই যাচ্ছিল বাংলাদেশকে চ্যালেঞ্জ জানাতে কতটা মরিয়া তারা। 

১৪ ওভার শেষে তাদের রান ৩ উইকেটে ১০৪। উইকেটে ছিলেন থিতু হওয়া দুই ব্যাটসম্যান। জিততে ৩৬ বলে তাদের প্রয়োজন ছিল ৫৬ রান। ঠিক একই পজিশনে টস হেরে ব্যাটিং করতে নেমে বাংলাদেশের রান ছিল ৪ উইকেটে ১০৪। উইকেট ১টি বেশি যাওয়ায় বাংলাদেশ হিসেবে পিছিয়ে ছিল। কিন্তু পার্থক্য গড়ে দেয় শেষের ব্যাটিং। 

শেষ ৬ ওভারে বাংলাদেশ তোলে ৫৭ রান। আর নেদারল্যান্ডস ৩০। ২৫ রানের হারে নেদারল্যান্ডস হারিয়েছে ২ পয়েন্ট। বাংলাদেশের এই ম্যাচের জয়ের নায়ক হয়েছেন সাকিব আল হাসান। ব্যাটিংয়ে ৪৬ বলে ৬৪ রানের নজরকাড়া ইনিংস খেলায় ২০২১ সালের পর তার হাতে আবার উঠেছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচ সেরার পুরস্কার। ব্যাটিংয়ে সাকিব ১৯ ইনিংস পর পেয়েছেন ফিফটির স্বাদ। 

নিজের ব্যাটিংয়ে দল জিতলেও সাকিব কৃতিত্ব দিয়েছেন রিশাদ হোসেন ও মোস্তাফিজুর রহমানকে। নেদারল্যান্ডস যখন প্রতি আক্রমণে গিয়ে ম্যাচ বের করে আনছিল তখন রিশাদ ও মোস্তাফিজের ৪ ওভার ম্যাচ ঘুরিয়ে দেয় বাংলাদেশের পক্ষে। রিশাদ ৪ বলের ব্যবধানে পান ৩ উইকেট। মোস্তাফিজ ২ ওভারে কোনো উইকেট না পেলেও রান দেন মাত্র ৪। ম্যাচ জয়ে তাদের ‍ভূমিকাকে বড় করে দেখছেন সাকিব। 

ম্যাচ সেরার পুরস্কার গ্রহণ করে সাকিব প্রোডাকশনকে বলেছেন, ‘শীর্ষ চার জনের কারো শেষ পর্যন্ত ব্যাটিং করা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। অবদান রাখতে পেরে খুশি। শুরুতে এই উইকেটে ব্যাটিং করা কঠিন ছিল। তবে আমরা স্নায়ু স্থির রেখেছিলাম। স্কোরটা চ্যালেঞ্জিং ছিল। তবে জেতার মতো না। কিন্তু বোলাররা দারুণভাবে ম্যাচে ফিরে আসে। রিশাদ এবং ফিজ (মোস্তাফিজ) নেদারল্যান্ডস থেকে ম্যাচটা ছিনিয়ে আনে।’

শেষ ৫ ওভারে ৫৪ রান তুলে বাংলাদেশ লড়াকু পুঁজি পায়। তবে শুরুতে কত রান চ্যালেঞ্জিং হতে পারে সেই ধারণা ছিল না বাংলাদেশের। তাই শেষ দিকে ঝুঁকি নিয়ে আক্রমণে যাওয়ার কথা বললেন সাকিব, ‘এখানে ৪-৫ বছর কোনো খেলা হয়নি (আসলে ১০ বছর)। তাই আমাদের ধারনা ছিল না কতো রান এখানে হলে ভালো। আমরা উইকেট জমিয়ে রেখেছিলাম ১৪-১৫ ওভার পর্যন্ত। সেখান থেকে আমরা আক্রমণে যায়।’ 

‘১৬০ রান বরাবরেই বিশ্বকাপে কঠিন। নেদারল্যান্ডস কিন্তু দারুণ ছন্দে ছিল। কিন্তু শেষ ৭-৮ ওভারে ১০ রান করে তোলা এই মাঠে, যেখানে বাতাস বিরুদ্ধ…রান তাড়া করা এজন্য কঠিন হয়ে গেছে। তবে ক্রেডিট দিতে হবে আমাদের বোলারদের।’ - যোগ করেন সাকিব।

ঢাকা/ইয়াসিন

আরো পড়ুন  



সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়