ধস সামলে উইলিয়ামসন-নিশামের ব্যাটে রাজশাহীর পুঁজি ১৬৫
সকালে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ঢাকায় নেমে সন্ধ্যাতেই মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে হাজির কেন উইলিয়ামসন। প্রথমবার বিপিএল খেলার অপেক্ষায় তিনি। রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের জার্সিতে প্রথমবার যখন মাঠে নামলেন শের-ই-বাংলা স্টেডিয়াম গর্জনে ফেটে পড়ল। টি-টোয়েন্টিতে বড় কোনো তারকা নন তিনি। তবুও নিজেকে এমন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন উইলিয়ামসন যেখানে তার তুলনা কেবল তিনি নিজেই।
মাঠে নেমে হতাশ করেননি। দলকে খাদের কিনারা থেকে তুলে এনে ৩৮ বলে ৪৫ রান করেন ১ চার ও ২ ছক্কায়। তার সঙ্গী জিমি নিশাম ২৬ বলে ৪৪ রান করেছেন ৪ চার ও ২ ছক্কায়। দুজনের শেষের ব্যাটিং লড়াইয়ে ধস সামলে সিলেট টাইটান্সের বিপক্ষে ৯ উইকেটে ১৬৫ রান করেছে রাজশাহী। তাদের ব্যাটিংয়ের শুরুটা ভালো ছিল। ৬২ রানে ২ ওপেনার ফেরেন সাজঘরে। শাহিবজাদা ফারহান ২১ বলে ৪ চার ও ১ ছক্কায় ২৬ এবং তানজিদ ১৫ বলে ৩২ রান করেন ১ চার ও ৪ ছক্কা।
কিন্তু হঠাৎ করেই মিডল অর্ডারে ফাটল ধরে। শান্ত (৭), মুশফিকুর (১ বলে ০) ও মেহরব (০) দ্রুত আউট হন। ৮০ রান তুলতেই ৫ উইকেট নেই রাজশাহীর। সেখানে দেয়াল হয়ে দাঁড়ান দুই কিউই ক্রিকেটার উইলিয়ামসন ও নিশাম। দুজন ৫০ বলে ৭৭ রানের জুটি গড়েন। নিশাম আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করলেও উইলিয়ামসন নিজের স্বভাবসুলভ খেলা খেলে শেষ পর্যন্ত দলকে লড়াইয়ে রাখেন। ক্রিস ওকসকে মাথার উপর দিয়ে মারা ছক্কা কিংবা খালেদকে ইনসাইড আউট শটে কাভারের উপর দিয়ে মারা চার দর্শকদের আনন্দ দিয়েছে বেশ।
শেষ ওভারে মাত্র ১টি বল খেলার সুযোগ হয় তার। নয়তো প্রথমবার বিপিএল খেলতে নেমে ফিফটি ছোঁয়া হয়ে যেত তার। তাতে দলের স্কোরবোর্ডও সমৃদ্ধ হতো। সিলেটের সেরা বোলার সামলান এরশাদ। ২৩ রানে ৩ উইকেট নেন তিনি। ২টি করে উইকেট পেয়েছেন নাসুম ও মিরাজ।
এই ম্যাচ যারা জিতবে তারা চলে যাবে ফাইনালে। চট্টগ্রাম রয়্যালসের প্রতিপক্ষ কে হবে সেটাই দেখার।
ঢাকা/ইয়াসিন/আমিনুল