ঢাকা     রোববার   ১৯ এপ্রিল ২০২৬ ||  বৈশাখ ৬ ১৪৩৩ || ১ জিলকদ ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

‘আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সেকেন্ড টিম, থার্ড টিম বলে কিছু নেই’

ক্রীড়া প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৬:৫৬, ১৯ এপ্রিল ২০২৬  
‘আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সেকেন্ড টিম, থার্ড টিম বলে কিছু নেই’

নিউ জিল্যান্ডের যে দলটা বাংলাদেশ সফরে এসেছে দলটিকে নিশ্চিতভাবেই তাদের দ্বিতীয় কিংবা তৃতীয় সারির দল বলা যায়। দলটির কোচ রব ওয়াল্টার তো বলেই দিয়েছিলেন তাদের ৫৪ ক্রিকেটার বিভিন্ন জায়গায় খেলে বেড়াচ্ছে। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ, পাকিস্তান সুপার লিগে জাতীয় দলের প্রথম সারির সব খেলোয়ড়রা ব্যস্ত। তাইতো বাধ্য হয়ে প্রতিশ্রুতিশীল ক্রিকেটারদের নিয়ে বাংলাদেশে এসেছে কিউইরা। অথচ সেই দলটাই বাংলাদেশকে প্রথম ওয়ানডেতে ২৬ রানের ব্যবধানে হারিয়েছে।

জয়ের তীব্র ইচ্ছা, হাল না ছাড়া মানসিকতায় নিউ জিল্যান্ড মাঠে ছিল অনন্য, অসাধারণ। তাদের পেশাদারিত্ব, তাদের সামর্থ্যের প্রশংসা করছে সবাই। শক্তি ও সামর্থ্যে বাংলাদেশ পিছিয়ে নেই। কিন্তু মাঠের ক্রিকেটে পেরে ওঠেনি লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। অতিথি দলটার বিপক্ষে বোলিংয়ে বাংলাদেশের সেরা ছিলেন শরিফুল ইসলাম। ১০ ওভার হাত ঘুরিয়ে ২৭ রানে ২ উইকেট নেন। প্রতিপক্ষ হিসেবে নিউ জিল্যান্ডকে মূল্যায়ন করতে গিয়ে রোববার শরিফুল মিরপুরে বলেছেন, “আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কোনো সময় সেকেন্ড টিম, থার্ড টিম বলে কিছু নেই। তারা ঘরোয়া ক্রিকেটে ভালো পারফরম্যান্স করেই আন্তর্জাতিকে এসেছে।’’

আরো পড়ুন:

প্রথম ম্যাচের হারের যন্ত্রণা ভুলে আগামীকাল বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়াতে পারবে বলে বিশ্বাস শরিফুলের, “এখনও আমাদের হাতে দুটি ম্যাচ আছে। আমাদের ওই সামর্থ্য আছে যে আমরা ঘুরে দাঁড়াতে পারব। একটা ম্যাচে হয়তো আমরা ভুল করেছি। তারা অবশ্যই ভালো দল।। আমরাও ভালো দল।। আশা করি পরের ম্যাচে আমরা ঘুরে দাঁড়াব।”

মোস্তাফিজুরের আচমকা চোটে শরিফুল প্রথম ম্যাচে খেলার সুযোগ পান। ১৬ মাস পর ওয়ানডেতে তার প্রত্যাবর্তন হয়। সেদিনের ঘটনা তুলে এনে শরিফুল বলেছেন, “টস হওয়ার হয়তো দুই-এক সেকেন্ড আগে আমাকে বলা হলো যে আমি খেলব। রিশাদ তখন বলল, ‘হয়তো তোমার রিজিকে আছে।’ আমি ওভাবেই প্রস্তুতি নিয়েছি, তারপর রানআপ মেপেছি, ওয়ার্ম আপ বোলিং করেছি। কাজেই আলহামদুলিল্লাহ… আল্লাহ রিজিকে রেখেছিল, তার জন্য আর কী…।” 

লম্বা সময় পর মাঠে ফিরে পারফর্ম করায় খুশি শরিফুল। কিন্তু দল না জেতায় মন খারাপ তারও, “সবশেষ ওয়ানডে খেলছিলাম ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে। তারপর একটা গ্যাপ ছিল। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতেও দলের বাইরে ছিলাম। তবে আমি সবসময় বেসিক কাজগুলা করার চেষ্টা করি আর সুযোগ এলে ভালো করার চেষ্টা করি। নিজের সঙ্গে লড়াই করেছি। সুযোগটা যখন এসেছে, ভালো করার চেষ্টা করেছি। আমি ব্যক্তিগতভাবে মোটামুটি একটা বোলিং করেছি, তবে দিনশেষে আমরা ম্যাচটা হেরেছি।। সেক্ষেত্রে অবশ্যই খারাপ লাগার একটা বিষয় আছে।”

ঢাকা/ইয়াসিন/আমিনুল

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়