ঢাকা     সোমবার   ০৪ মার্চ ২০২৪ ||  ফাল্গুন ২০ ১৪৩০

উপজেলা বিএনপির কার্যালয় এখন নৌকার নির্বাচনী অফিস

ঝালকাঠি প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৯:৩৯, ৫ ডিসেম্বর ২০২৩  
উপজেলা বিএনপির কার্যালয় এখন নৌকার নির্বাচনী অফিস

ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলা বিএনপির প্রধান কার্যালয় এখন আওয়ামী লীগের নির্বাচনী অফিসে পরিণত হয়েছে। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঠালিয়া) আসনের আওয়ামী লীগের প্রধান নির্বাচনী কার্যালয় লেখা একটি সাইনবোর্ড উঠনো হয়েছে। 

মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজাপুর সরকারি কলেজ ছাত্রদলের বহিষ্কৃত যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মাহিম হোসেন ও বর্তমান রাজাপুর শহর ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. রমজান মৃধা উপজেলা বিএনপির এই প্রধান কার্যালয়ে এই সাইনবোর্ডটি উঠান। 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দক্ষিণ অঞ্চলের বিএনপির দুর্গ হিসেবে খ্যাত ঝালকাঠি-১ আসন। এই আসনে বিএনপি থেকে নির্বাচন করতেন ব্যারিস্টার এম শাহজাহান ওমর বীর উত্তম। তিনি এখান থেকে ধানের শীষ প্রতীকে পাঁচ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন এবং একবার আইন প্রতিমন্ত্রীও হয়েছেন। তার মালিকানাধীন রাজাপুর বাইপাস মোড় সড়কের পাশে দুইতলা বিশিষ্ট একটি ভবনে ২০০৩ সাল থেকে উপজেলা বিএনপির স্থায়ী প্রধান কার্যালয় হিসেবে ব্যাবহার করে আসছে। কিন্তু গত ৩০ নভেম্বর শাহজাহান ওমর আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে নৌকার মনোনয়ন নেন। পরে তার মালিকানাধীন ভবন থেকে বিএনপির সব সাইনবোর্ড ব্যানার সরিয়ে ফেলার জন্য বললে তা অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়। মঙ্গলবার সেখানে নৌকার নর্বাচনী সাইনবোর্ড উঠানো হয়। 

এ বিষয়ে রাজাপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ বলেন, বিএনপির কার্যক্রম পরিচালনা করা ভবনটি শাহজাহান ওমরের ব্যক্তিগত জায়গার ওপরে তার নিজের অর্থে নির্মাণ করা। এতোদিন তিনি বিএনপিতে ছিলেন তাই বিএনপির কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে ভবনটি থেকে। এখন তিনি আওয়ামী লীগে গেছেন তাই আওয়ামী লীগের কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। এখনে আমাদের কিছু বলার নেই। 

রাজাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট এএইচএম খায়রুল আলম সরফরাজ বলেন, তিনি (শাহজাহান ওমর) যখন ঝালকাঠিতে আসছেন তখন আমাকে বলছেন তার ওই অফিস রাজাপুর আওয়ামী লীগের প্রধান কার্যালয়ে হিসেবে ব্যাবহার করবেন। তখন তাকে বলছি রাজাপুরে আওয়ামী লীগের অফিস আছে। আপনি নির্বাচনী কার্যালয় হিসেবে ব্যাবহার করতে পারেন। 

দীর্ঘ ২০ বছর ওই ভবনটি বিএনপির প্রধান কার্যালয়ে হিসেবে ছিল এখন থেকে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রধান কার্যালয় হিসেবে চলবে সেক্ষেত্রে আপনারা ওই অফিসে দলীয় কার্যক্রম চালাবেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ওখানে যাব কি যাবো না সেটা পরে দেখা যাবে। 

এবিষয়ে জানার জন্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ব্যরিষ্টার মোহাম্মদ শাহজাহান ওমরের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। 

অলোক/মাসুদ

ঘটনাপ্রবাহ

আরো পড়ুন  



সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়