ঢাকা     শনিবার   ১০ জানুয়ারি ২০২৬ ||  পৌষ ২৬ ১৪৩২

Risingbd Online Bangla News Portal

ঝালকাঠি-২ আসন

জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

ঝালকাঠি প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৬:২৬, ৯ জানুয়ারি ২০২৬   আপডেট: ১৬:৩৫, ৯ জানুয়ারি ২০২৬
জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

এস এম নিয়ামুল করিম এবং সিরাজুল ইসলাম

নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে ঝালকাঠি-২ (ঝালকাঠি সদর ও নলছিটি উপজেলা) আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী এস এম নিয়ামুল করিম এবং ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলামকে (সিরাজী) কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় এ আসনের নির্বাচনি অনুসন্ধান কর্মকর্তা ও সিভিল জজ আরিফ হোসেন পৃথক নোটিশে তাদেরকে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন।

আরো পড়ুন:

নোটিশে বলা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬ উপলক্ষে তফসিল ঘোষণার পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সম্ভাব্য সব প্রার্থীকে নিজ নিজ পোস্টার, ব্যানার, দেয়াললিখন, বিলবোর্ড, গেট, তোরণ, প্যান্ডেল, আলোকসজ্জাসহ সব ধরনের নির্বাচনি প্রচার সামগ্রী ও ক্যাম্প নিজ খরচে এবং নিজ দায়িত্বে অপসারণের নির্দেশনা দেওয়া হয়। কিন্তু, পরিদর্শনের পাশাপাশি প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পরও ঝালকাঠি ও নলছিটি শহরসহ ঝালকাঠি-২ নির্বাচনি এলাকার বিভিন্ন স্থানে এস এম নিয়ামুল করিম ও মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলামের নাম ও সম্ভাব্য প্রতীকের পোস্টার দৃশ্যমান আছে। এতে সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫-এর বিধি ৭-এর উপবিধি (ক) লঙ্ঘিত হয়েছে।

নোটিশে আরো বলা হয়, এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কেন ওই দুই প্রার্থীর বিরুদ্ধে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনে প্রতিবেদন পাঠানো হবে না কিংবা অপরাধ আমলে নিয়ে বিচারকার্য সম্পন্ন করা হবে না, সে বিষয়ে আগামী ১১ জানুয়ারি বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে জেলা জজ আদালতের তৃতীয় তলায় রাজাপুর সিভিল জজ আদালতে বিচারক মো. আরিফ হোসেনের কার্যালয়ে হাজির হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হলো।

এ বিষয়ে ঝালকাঠি-২ আসনের জামায়াতের প্রার্থী এস এম নিয়ামুল করিমের মুঠোফোন নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তবে, তিনি কল রিসিভ করেননি। এ কারণে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে, ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম বলেছেন, “আমার কর্মীরা ঝালকাঠি সদর ও নলছিটি উপজেলার বিভিন্ন প্রান্তের সব পোস্টার, ব্যানার, ফেস্টুন অপসারণ করেছে। তারপরও দু’-একটি পোস্টার অগোচরে থেকে যেতে পারে। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই, সঠিক সময়ে কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব দিতে প্রস্তুত।”

ঢাকা/অলোক/রফিক

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়