ঢাকা     বুধবার   ১৩ মে ২০২৬ ||  বৈশাখ ৩০ ১৪৩৩ || ২৫ জিলকদ ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা কলেজে শরতের আমেজ  

রায়হান হোসেন, ঢাকা || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৫:২৪, ২ অক্টোবর ২০২১   আপডেট: ১৫:২৬, ২ অক্টোবর ২০২১
ঢাকা কলেজে শরতের আমেজ  

ইট-পাথরে ঘেরা ঢাকার যান্ত্রিক জীবনে একটু শান্তির নিবাস যেন ঢাকা কলেজ। যেখানে প্রাণ খুলে শ্বাস নেওয়া যায় দ্বিধাহীনভাবে। গাছপালা, পুকুর এবং খেলার মাঠ, ফুলের বাগান, টেনিস গ্রাউন্ডসহ সমৃদ্ধ প্রাকৃতিক পরিবেশ এই কলেজের বৈশিষ্ট্য।

ফুলের বাগান

আরো পড়ুন:

কলেজে প্রবেশ করলেই মূল ভবনের সামনে এক বিশাল মনোরম পরিবেশের ফুল বাগান চোখে পড়বে। সেখানে রয়েছে অনেক প্রজাতির ফুল, যা একপলক দেখলে মন ভরে যায়। সবুজ ঘাসের গালিচা বিছানো এক অসাধারণ সৌন্দর্য ঘেরা  ঢাকা কলেজের ফুলবাগান। শিক্ষার্থীরা ক্লাসের ফাঁকে এখানে নিয়মিত ছবি তুলতে পছন্দ করেন। শিক্ষকদেরও একটি অন্যতম পছন্দের জায়গা কলেজের ফুল বাগান।

টেনিস গ্রাউন্ড

টেনিস গ্রাউন্ড বিকেলে ছাত্রদের মিলনমেলায় পরিণত হয়। এখানে চারদিকে সবুজ গাছগাছালি দিয়ে আবৃত। এখানের মনোরম দৃশ্য যে কারো মন ভালো করার একটি অন্যতম উপায়। টেনিস গ্রাউন্ডে প্রায় নিয়মিত শিক্ষার্থীরা খেলাধুলা করেন।

কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ

চলছে শরৎকাল। ঢাকা কলেজে কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে বসে নীল আকাশ দেখার একটা উত্তম সময়। আবাসিক হলগুলো খোলা থাকলে এখানে রাতের আকাশের তারা দেখার জন্য সবাই ভিড় করেন। মনে হয় এক টুকরো স্বর্গ নেমেছে এই খেলার মাঠে।

পুকুর পাড়

কলেজের পুকুর পাড় নারিকেল গাছে ঘেরা। একটু শান্তির জন্য অনেকেই পুকুরে ঝাঁপ দিয়ে গোসল করেন। প্রায় সময় সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা এখানে জলকেলি খেলা করেন। এছাড়া মাঠে খেলার পর একটু প্রশান্তি নেওয়ার জন্য সবাই পুকুরে গোসল করেন।

হলের খেলার মাঠ

শিক্ষার্থীদের সবচেয়ে পছন্দের জায়গা আবাসিক হলের খেলার মাঠ। এখানে পশ্চিম ছাত্রাবাসের ঠিক সামনে একটি সুউচ্চ বকুল ফুলের গাছ রয়েছে। ছাত্ররা সেখানে আড্ডায় মেতে ওঠেন। এছাড়া কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক নেহাল আহমেদ আন্তর্জাতিক ছাত্রাবাসের সামনে একটি বকুল চত্বর নির্মাণ করেছেন। সেখানে বসে বকুল ফুলের সুবাস উপভোগ করা যায়।

ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের কাছে ক্যাম্পাস স্বর্গের মতো। তবে মানুষ ইচ্ছা করলেই পারে তার নগরকে সাজিয়ে রাখতে। পরিপাটি জীবনের ব্যবস্থা করতে। এক্ষেত্রে অর্থের চেয়ে ইচ্ছাশক্তিই বেশি দরকার।

লেখক: শিক্ষার্থী ও ক্যাম্পাস সাংবাদিক, ঢাকা কলেজ। 

/মাহি/ 

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়