Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     মঙ্গলবার   ১৩ এপ্রিল ২০২১ ||  চৈত্র ৩০ ১৪২৭ ||  ২৮ শা'বান ১৪৪২

ওয়ালটনের ইউরোপীয় স্ট্যান্ডার্ড এসিতে ঘণ্টায় বিদ্যুৎ খরচ ২.৮৮ টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৪:১১, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১   আপডেট: ১৮:১১, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১
ওয়ালটনের ইউরোপীয় স্ট্যান্ডার্ড এসিতে ঘণ্টায় বিদ্যুৎ খরচ ২.৮৮ টাকা

নিয়মিত গবেষণা ও উন্নয়নে একের পর এক অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও ফিচারের পণ্য উৎপাদন করছে ওয়ালটন। এরই ধারাবাহিকতায় এবার ইউরোপীয় স্ট্যান্ডার্ডের নতুন মডেলের স্প্লিট এয়ার কন্ডিশনার বাজারে ছাড়লো বাংলাদেশি এই সুপারব্র্যান্ড। ইনভার্না সিরিজের সুপারসেভার মডেলের ওই এসিতে ব্যবহৃত হয়েছে ব্যাপক বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ইনভার্টার প্রযুক্তি।  আছে আয়োনাইজার, এন্টিভাইরাল ও ডাস্ট ফিল্টার এবং ফ্রস্ট ক্লিনসহ অত্যাধুনিক সব সুবিধা। ওয়ালটনের নতুন ওই এসি ব্যবহারে ঘণ্টায় বিদ্যুৎ খরচ পড়ছে মাত্র ২.৮৮ টাকা।

ওয়ালটন এসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) তানভীর রহমান বলেন, এয়ার কন্ডিশনারের দেশীয় ক্রেতাদের প্রধান দুশ্চিন্তা থাকে বিদ্যুৎ খরচ ও দীর্ঘস্থায়িত্ব নিয়ে। অপরদিকে ইউরোপের ক্রেতাদের প্রধান চাহিদা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব পণ্যের। এরই পরিপ্রেক্ষিতে প্রোডাক্ট ডিজাইন ও গবেষণায় ৩২ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন স্বনামধন্য ইতালীয় প্রকৌশলী দারিও তানফগ্লিও-এর অধীনে ইতালিতে এই এসির ডিজাইন ও ডেভেলপ করা হয়েছে। যে কারণে এর নাম দেওয়া হয়েছে ‘ইনভার্না’। এটি একটি ইতালীয় শব্দ। এর অর্থ ‘উইন্টার’ বা ‘শীতকাল’। এটি বিশেষভাবে ইউরোপীয় স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী ইউরোপ মার্কেটের উপযোগী করে তৈরি। ওয়ালটনের প্যাটেন্টকৃত ইউরোপে রপ্তানিযোগ্য এ মডেলটি বাংলাদেশি ক্রেতাদের জন্যও বাংলাদেশের পরিবেশ ও আবহাওয়া অনুযায়ী বাজারজাত করা হচ্ছে।

জানা গেছে, ইনভার্না সিরিজের সুপারসেভার মডেলের ওই এসি দেশের সবচেয়ে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) পরীক্ষায় দেখা গেছে ইকো মুডে এক টনের ইনভার্না (সুপারসেভার) এসি ব্যবহারে প্রতি ঘণ্টায় বিদ্যুৎ বিল আসে মাত্র ২ টাকা ৮৮ পয়সা।

ওয়ালটন এসির চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) প্রকৌশলী সন্দীপ বিশ্বাস বলেন, নতুন মডেলের ইনভার্না এসি ১, ১.৫ এবং ২ টন মডেল পাওয়া যাচ্ছে। মডেলভেদে দাম ৪৯,৯০০ টাকা থেকে ৭৭,৪০০ টাকার মধ্যে। এতে আছে স্মার্ট কন্ট্রোল ফিচার। অর্থাৎ আইওটি বেইজড ওই এসি ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এর ফলে মোবাইলে মাধ্যমে অন/অফ করার পাশাপাশি এসিতে প্রতিদিন বা মাসিক বিদ্যুৎ বিল কত আসছে, ভোল্টেজ লো না হাই, কম্প্রেসর ওভারলোডে চলছে কী না- এসব তথ্য সহজেই মনিটর করার সুযোগ রয়েছে।

ওয়ালটন এসি গবেষণা ও উন্নয়ন বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম বলেন, ইনভার্না সিরিজের ওই এসিতে ব্যবহৃত হয়েছে ডুয়েল ডিফেন্ডার প্রযুক্তি। যাতে সমন্বয় করা হয়েছে আয়োনাইজার এবং এন্টিভাইরাল ফিল্টার ফিচার। জাপান এবং সিঙ্গাপুরের স্বীকৃত ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষিত তিনস্তর বিশিষ্ট এন্টিভাইরাল ফিল্টারে ব্যবহৃত হয়েছে বিভিন্ন প্রাকৃতিক ও কৃত্তিম উপাদান, যার সমন্বয়ে এটি ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ করে এবং একইসাথে দুর্গন্ধযুক্ত উপাদান এবং ০.৩ মাইক্রোন পর্যন্ত অতি সুক্ষ্ম ধূলিকণা নির্মূল করে। এছাড়াও এই ফিল্টারে রয়েছে এন্টি অক্সিডেন্টের স্তর, যা বাতাসের ক্ষতিকর উপাদান শোষণ করে নির্মল বাতাস সরবরাহের মাধ্যমে স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করে।

পরিবেশবান্ধব ওই এসিতে ব্যবহৃত হচ্ছে সিএফসি গ্যাসমুক্ত বিশ্বস্বীকৃত আর৪১০এ ও আর-৩২ রেফ্রিজারেন্ট। রয়েছে টার্বোমুড, যা রুমকে দ্রুত ঠান্ডা করে। এছাড়া ইভাপোরেটর এবং কন্ডেন্সারে মরিচারোধক গোল্ডেন ফিন ব্যবহার করায় ওয়ালটন এসি অনেক টেকসই ও দীর্ঘস্থায়ী। 

খুব শিগগিরই অফলাইন ভয়েস কমান্ডযুক্ত এসি বাজারে ছাড়ছে ওয়ালটন। এর ফলে ইন্টারনেট ছাড়াই ভয়েস কমান্ডের মাধ্যমে এসি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। অর্থাৎ গ্রাহক কথা বলে নির্দেশনা দিয়ে এসি চালু বা বন্ধ করতে এবং তাপমাত্রা কমাতে বা বাড়াতে পারবেন।  পাশাপাশি চলতি বছরই ইউভি (আল্ট্রা-ভায়োলেট) প্রযুক্তির এসি বাজারে আনবে ওয়ালটন। যা রুমকে রাখবে ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ামুক্ত।

কর্তৃপক্ষ জানায়, অনলাইন অটোমেশনের আওতায় এসির গ্রাহকদের আরো সহজে দ্রুত বিক্রয়োত্তর সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে সারা দেশে ডিজিটাল ক্যাম্পেইন পরিচালনা করছে ওয়ালটন। এখন চলছে ক্যাম্পেইন সিজন ৯।  এর আওতায় ওয়ালটন এসি কিনে গ্রাহকরা ২১ বছর পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিল ফ্রি পাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। নগদ মূল্যের পাশাপাশি ব্যাপক বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ওয়ালটন এসি কিস্তি এবং ইএমআই সুবিধায় কেনার সুযোগ রয়েছে। পাশাপাশি যেকোনো ব্র্যান্ডের পুরনো এসি বদলে ২৫ শতাংশ ছাড়ে গ্রাহকরা ওয়ালটনের নতুন এসি কিনতে পারছেন।  আছে ফ্রি ইন্সটলেশন সুবিধা।

স্পিট এসির পাশাপাশি স্কুল-কলেজ, মসজিদ, মাদ্রাসা, হাসপাতাল, হোটেলের মতো মাঝারি স্থাপনার জন্য ৪ ও ৫ টনের ক্যাসেট ও সিলিং টাইপ এসি ব্যাপকভাবে বাজারজাত করছে ওয়ালটন। বড় স্থাপনার জন্য ওয়ালটনের রয়েছে ভেরিয়্যাবল রেফ্রিজারেন্ট ফ্লো বা ভিআরএফ এবং চিলার।

সারা দেশে ১৭ হাজারেরও বেশি আউটলেটের পাশাপাশি ঘরে বসেই ওয়ালটনের নিজস্ব অনলাইন শপ ‘ই-প্লাজা ডট ওয়ালটনবিডি ডটকম’ (https://eplaza.waltonbd.com) থেকে ক্রেতারা তাদের পছন্দের এসি কিনতে পারছেন। 

কর্তৃপক্ষ জানায়, ওয়ালটন এসি আইএসও-১৭০২৫ অনুসারে বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড কর্তৃক স্বীকৃত আন্তর্জাতিকমানের টেস্টিং ল্যাব নাসদাত-ইউটিএস থেকে মান নিয়ন্ত্রণ সনদ পাওয়ার পরে বাজারজাত করা হয়। তাই এসিতে এক বছরের রিপ্লেসমেন্টের পাশাপাশি ইনভার্টার এসির কম্প্রেসরে ১০ বছর পর্যন্ত গ্যারান্টি সুবিধা দিচ্ছে ওয়ালটন। আন্তর্জাতিকমানের এসি ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হচ্ছে।

দ্রুত ও সর্বোত্তম বিক্রয়োত্তর সেবা দিতে আইএসও সনদপ্রাপ্ত সার্ভিস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের আওতায় সারা দেশে ওয়ালটনের রয়েছে ৭৬টি সার্ভিস সেন্টার। পাশাপাশি প্রায় ৩০০ সার্ভিস পার্টনারের মাধ্যমে দেশব্যাপী এসির গ্রাহকদের সেবা দিচ্ছে ওয়ালটন। এদিকে ওয়ালটনের দক্ষ ও অভিজ্ঞ প্রকৌশলী এবং টেকনিশিয়ানরা প্রতি ১০০ দিন পর পর এসি ক্রেতাদের ফ্রি সার্ভিস দিচ্ছেন।

অগাস্টিন সুজন/সাইফ

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম

Bulletলকডাউন: ১৪-২১ এপ্রিল। যা যা চলবে: ১. বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল বন্দর এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিস। ২. পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না ৩. শিল্প-কারখানা ৪. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিসেবা, যেমন, কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর (স্থল, নদী ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বর্হিভূত থাকবে। ৫. ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ৬. খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কেবল খাদ্য বিক্রয়/সরবরাহ করা যাবে। ৭. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে || যা যা বন্ধ থাকবে: ১. সব সরকারি, আধাসরকারি, সায়ত্ত্বশাসিত ও বেসরকারি অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে ২. সব ধরনের পরিবহন (সড়ক, নৌ, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে ৩. শপিংমলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ থাকবে