ঢাকা     শুক্রবার   ০৯ জানুয়ারি ২০২৬ ||  পৌষ ২৫ ১৪৩২

Risingbd Online Bangla News Portal

ঐতিহ্যবাহী টার্কিশ খাবার মিলবে ‘আদানা সফরাসি’তে 

নিজস্ব প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৮:৫৬, ৮ জানুয়ারি ২০২৬  
ঐতিহ্যবাহী টার্কিশ খাবার মিলবে ‘আদানা সফরাসি’তে 

বাংলাদেশের মানুষ ভোজনরসিক। অনেকেই দেশ-বিদেশের খাবার খেতে পছন্দ করেন। কিন্তু দেশের বাইরে গিয়ে সেই স্বাদ নেওয়ার সুযোগ বা সময় অনেকের থাকে না। ফলে দেশে বসেই যদি বিদেশের খাবার খাওয়া যায় তাহলে মন্দ কী? খাদ্যরসিকদের জন্য এই সুযোগটিই করে দিয়েছে ‘আদানা সফরাসি’ রেস্টুরেন্ট। 

রাজধানীর গুলশানের ৩২ নাম্বার রোডে এই রেস্টুরেন্টে মিলবে ঐতিহ্যবাহী টার্কিশ খাবার। অথেনটিক টেস্ট এবং মূল্য হাতের নাগালে হওয়ায় রেস্টুরেন্টটি খুব কম সময়ের মধ্যেই খাদ্যরসিকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। 

টার্কিশ খাবারের মধ্যে এখানে পাবেন লেনটিল স্যুপ, হুমুস, হায়দারি, মিক্সমেজে, সালসালি ডোমেটজ ইজমেসি, বিফ আদানা, টোরটিলা কাবাব, ল্যাম্ব আদানা, চিকেন আদানা, তাভুক সিস, তাভুক কানাত, তাভুক পিরজোলা, তাভুক ডুরুম, ইতলি ললি, ইজগারা কোফতা, এলবাসান তাভা, সুলু কোফতা, টেপসি কাবাব, ইনগোল কোফতা, কারনিয়ারিক, কাপালি কাবাব, ইট ডুরুম, কুজু পিরজোলা, স্পেশাল জা কাবাব। 

এ ছাড়াও রয়েছে আদানা সফরাসি স্পেশাল প্লাটার, স্পেশাল কাপল প্লাটার, সুলতান সুলাইমান প্লাটার ও অটোমান প্লাটার। এসবের সাথে রয়েছে তুর্কির বিভিন্ন সব জনপ্রিয় ডেজার্ট আইটেম।

রেস্টুরেন্টটির কর্ণধার বলেন, ‘‘বাংলাদেশে টার্কিশ ফুডের ব্যাপক ডিমান্ড রয়েছে। আমরা এনালাইসিস করে দেখলাম  এম্বাসি, গার্মেন্টসসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বেশ বড় একটা টার্কিশ কমিউনিটি রয়েছে বাংলাদেশে। আমরা বাংলাদেশিরাও টার্কিশ খাবার পছন্দ করি। কিন্তু সবার পক্ষে তো টার্কিতে যাওয়া সম্ভব না, এ কারণেই আমাদের এমন উদ্যোগ। এখানে অথেনটিক টার্কিশ খাবারগুলো পওয়া যাবে। যে কেউ চাইলে খাবারের স্বাদ নিতে পারেন।’’

খুব অল্প সময়ে অনেক বেশি সাড়া পেয়েছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘‘আমরা এটা ওপেন করার পর থেকেই দেখছি একবার যে আমাদের রেস্টুরেন্টের টার্কিশ ফুডগুলো ট্রাই করেছে তারা বারবার এসেছে খেতে। এমনও হয়েছে একমাস পূর্ণ হওয়ার আগেই একজন গেস্ট সাতবার এসেছে।’’ 

জনপ্রিয়তার কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ‘‘আমরা খাবারে অথেনটিক টার্কিশ টেস্ট আনার জন্য বেশিরভাগ মসলা, মিট থেকে শুরু করে সব ইমপোর্ট করি। এমনকি যে মেশিনগুলো দিয়ে খাবার তৈরি হয় সেগুলোও ইমপোর্ট করা। এ কারণে খাবারের টেস্ট অথেনটিক থাকে একশ ভাগ। সবকিছু ইমপোর্ট করার কারণে আমাদের কস্টিং বেশি হবার পরও সবার নাগালের মধ্যেই খাবারের দাম রাখার চেষ্টা করেছি। এ জন্যই আমাদের জনপ্রিয়তা বাড়ছে।’’

ঢাকা/লিপি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়