Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     মঙ্গলবার   ১৩ এপ্রিল ২০২১ ||  চৈত্র ৩০ ১৪২৭ ||  ২৮ শা'বান ১৪৪২

‘ক্যালিফোর্নিয়া হবে পরের নিউইয়র্ক, আর নিউইয়র্ক পরের ইতালি’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ০৩:২৬, ২৭ মার্চ ২০২০   আপডেট: ০৫:২২, ৩১ আগস্ট ২০২০
‘ক্যালিফোর্নিয়া হবে পরের নিউইয়র্ক, আর নিউইয়র্ক পরের ইতালি’

করোনাভাইরাসে সবচেয়ে বেশি আক্রান্তের হিসেবে ইতালি ও চীনকে ছাড়িয়ে গেছে যুক্তরাষ্ট্র। ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলস শহরের মেয়র এরিক গারসেত্তি আরো ভয়াবহ পরিস্থিতির আশঙ্কা প্রকাশ করলেন। করোনায় যুক্তরাষ্ট্রের পরিণতি দিনকে দিন খারাপের দিকে যাবে মনে করছেন তিনি।

গারসেত্তির মতে, ক্যালিফোর্নিয়া হতে যাচ্ছে পরের নিউইয়র্ক এবং নিউইয়র্ক হবে পরের ইতালি। তিনি বলেছেন, ‘একইভাবে এখন নিউইয়র্ক হতে যাচ্ছে পরের ইতালি এবং ইতালি হবে পরের ইরান। আর ইরান হবে পরের চীন। আপনি কোথায় থাকেন, তা ব্যাপার নয়। আপনি হতে পারেন পরের শিকার। ভাইরাস মানে না আপনি কোথায় আছেন।’

গারসেত্তির শঙ্কা অযৌক্তিক নয়। কয়েক দিন আগেও ক্যালিফোর্নিয়ায় করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা দ্বিগুণ হচ্ছিল তিন থেকে চার দিনের ব্যবধানে। কিন্তু এখন তা দ্বিগুণ হচ্ছে মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে। শহরের প্রত্যেক মানুষকে নিয়ে শঙ্কিত গারসেত্তি।

শহরের সাধারণ মানুষদের জন্য মাস্ক তৈরিতে এরই মধ্যে গার্মেন্টস ও পোশাক উত্পাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশনা দিয়েছেন গারসেত্তি। ৫০ লাখ মাস্ক উত্পাদন হবে জানান লস অ্যাঞ্জেলস মেয়র।

করোনা সংক্রমণ বিস্তারে সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় আছে যুক্তরাষ্ট্র, তারা ছাড়িয়ে গেছে ইতালিকে। দেশটিতে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ৮৫ হাজারের বেশি। ইতালিতে সে সংখ‌্যা ৮০ হাজার ৫৮৯ জন।

বিশ্বের ১৯৯টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত মারা গেছেন ২৪ হাজারের বেশি মানুষ। আক্রান্ত হয়েছেন সোয়া পাঁচ লাখের বেশি মানুষ। আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন প্রায় সোয়া এক লাখ মানুষ।

 

ঢাকা/ফাহিম

রাইজিংবিডি.কম

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম

Bulletলকডাউন: ১৪-২১ এপ্রিল। যা যা চলবে: ১. বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল বন্দর এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিস। ২. পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না ৩. শিল্প-কারখানা ৪. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিসেবা, যেমন, কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর (স্থল, নদী ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বর্হিভূত থাকবে। ৫. ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ৬. খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কেবল খাদ্য বিক্রয়/সরবরাহ করা যাবে। ৭. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে || যা যা বন্ধ থাকবে: ১. সব সরকারি, আধাসরকারি, সায়ত্ত্বশাসিত ও বেসরকারি অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে ২. সব ধরনের পরিবহন (সড়ক, নৌ, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে ৩. শপিংমলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ থাকবে