ঢাকা     মঙ্গলবার   ৩১ মার্চ ২০২৬ ||  চৈত্র ১৭ ১৪৩২ || ১২ শাওয়াল ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

সার নিয়ে উদ্বেগ নেই: কৃষিমন্ত্রী

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৮:৩৩, ৩১ মার্চ ২০২৬  
সার নিয়ে উদ্বেগ নেই: কৃষিমন্ত্রী

দেশে ইউরিয়া সারের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং অন্তত জুন-জুলাই পর্যন্ত কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।

একই সঙ্গে কৃষকদের বিনামূল্যে সার দেওয়ার কোনো পরিকল্পনা আপাতত নেই বলেও সংসদে স্পষ্ট করেছেন তিনি।

জাতীয় সংসদে সারের সরবরাহ ও ভর্তুকি নিয়ে একাধিক প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, “দেশে বর্তমানে যে পরিমাণ ইউরিয়া সার মজুত আছে, তা দিয়ে আগামী জুন কিংবা জুলাইয়ের মাঝামাঝি পর্যন্ত চাহিদা মেটানো সম্ভব। ফলে নিকট ভবিষ্যতে সারের কোনো বড় ধরনের সংকট হওয়ার আশঙ্কা নেই।”

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সংসদের অধিবেশনে সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার প্রশ্নের প্রেক্ষিতে মন্ত্রী জানান, সরকার বিদেশ থেকে সার আমদানির প্রক্রিয়াও জোরদার করেছে।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশ মূলত কাতার ও সৌদি আরব থেকে ইউরিয়া সার আমদানি করে। এ লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর একজন উপদেষ্টাকে কাতারে পাঠানো হয়েছে এবং আমদানির বিষয়ে ইতিবাচক অগ্রগতি হচ্ছে।”

তিনি জানান, বৈশ্বিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে যুদ্ধের কারণে কিছু জটিলতা তৈরি হলেও ইতিমধ্যে ট্যাংকার ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ফলে শিগগিরই সারের জাহাজ দেশে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সার আমদানির নীতিগত দিক নিয়েও কথা বলেন কৃষিমন্ত্রী। তিনি উল্লেখ করেন, আগের সরকার বেসরকারি খাতকে সার আমদানিতে বেশি উৎসাহিত করেছিল, যেখানে আগে সরকার থেকে সরকার (জিটুজি) ভিত্তিতে আমদানি হতো। বর্তমান সরকার বিষয়টি পর্যালোচনা করছে এবং কৃষক ও অর্থনীতির জন্য যা সবচেয়ে উপযোগী হবে, সেই পথই অনুসরণ করা হবে বলে জানান তিনি।

অন্য এক প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, “কৃষকদের বিনামূল্যে সার বা কৃষি উপকরণ দেওয়ার কোনো পরিকল্পনা আপাতত সরকারের নেই। তবে ভর্তুকির মাধ্যমে কৃষকদের সহায়তা অব্যাহত রয়েছে।”

তিনি জানান, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কৃষকদের জন্য ভর্তুকি মূল্যে বিপুল পরিমাণ সার সরবরাহ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ২৬ লাখ মেট্রিক টন ইউরিয়া, ৯.৫ লাখ টন টিএসপি, ১০.৫ লাখ টন এমওপি এবং ১৬.৮৫ লাখ টন ডিএপি সার। একই সময়ে কৃষি খাতে ভর্তুকি হিসেবে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ ও বিতরণ করা হয়েছে।

ঢাকা/এএএম/এসবি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়