এলডিসি থেকে উত্তরণে বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান অপরিহার্য: বাণিজ্যমন্ত্রী
বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির
স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের পরও বাংলাদেশকে শুল্কমুক্ত ও অগ্রাধিকারমূলক বাজার সুবিধা দিতে নিউজিল্যান্ডের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
তিনি বলেছেন, “বাংলাদেশের এলডিসি থেকে উত্তরণকে সফল করতে দ্রুত বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি অপরিহার্য। এলডিসি থেকে উত্তরণ করুক বা না-ই করুক, টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বজায় রাখতে প্রতি বছর ব্যাপক বিনিয়োগ প্রয়োজন।”
রবিবার (১৭ মে) সচিবালয়ে নিউজিল্যান্ডের অনাবাসিক হাইকমিশনার ডেভিড পাইনের সঙ্গে বৈঠকে এসব কথা বলেন মন্ত্রী। বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আয়েশা আক্তার উপস্থিত ছিলেন।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, “বাংলাদেশের মোট রপ্তানির বড় অংশ তৈরী পোশাক খাতনির্ভর। তাই, এ খাতের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বজায় রাখা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে অগ্রাধিকারমূলক প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ।”
তিনি জানান, সরকার ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ করতে উদ্যোগ নিয়েছে। নিউজিল্যান্ডের ব্যবসায়ীরা সম্ভাবনাময় খাতে বিনিয়োগ করে লাভবান হতে পারেন।
শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও রপ্তানি বহুমুখীকরণের মাধ্যমে অর্থনীতিকে আরো শক্তিশালী করতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে বলেও জানান মন্ত্রী।
বৈঠকে ডেভিড পাইন বলেন, “বাংলাদেশের এলডিসি থেকে উত্তরণের পর যাতে বিদ্যমান শুল্কমুক্ত ও অগ্রাধিকারমূলক বাজার সুবিধায় বিঘ্ন না ঘটে, সে বিষয়ে নিউজিল্যান্ড গুরুত্ব দিচ্ছে।” তিনি দুই দেশের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা করেন।
ডেভিড পাইনের মতে, নিউজিল্যান্ডের পণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে উচ্চ মানসম্পন্ন ও জিএমওমুক্ত হিসেবে পরিচিত। বাংলাদেশে স্থিতিশীল ও দীর্ঘমেয়াদি বাণিজ্য কাঠামো প্রতিষ্ঠায় আগ্রহী নিউজিল্যান্ড।
ঢাকা/এএএম/রফিক