মন্ত্রী-এমপিরা কে কোথায় ঈদ করবেন?
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সরকারের মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের অধিকাংশ নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় গিয়ে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন করবেন। তারা তৃণমূল নেতাকর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেবেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকাতেই ঈদ করবেন।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও মন্ত্রীদের জনসংযোগ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঈদ উদযাপনের পাশাপাশি ঘরমুখী মানুষের ভোগান্তি কমাতে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী।
ঢাকায় অবস্থান করে ঈদের নামাজ আদায় করবেন সরকারের কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী ও নেতা। তারা হলেন- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন এবং জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম।
সরকারের বেশিরভাগ মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য ঢাকার বাইরে নিজ এলাকায় ঈদের নামাজ আদায় করবেন। বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঠাকুরগাঁওয়ে ঈদ করবেন। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী চট্টগ্রামে এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু সিরাজগঞ্জে ঈদ উদযাপন করবেন।
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ভোলায় এবং ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল নেত্রকোনায় ঈদের নামাজ আদায় করবেন।
জানা গেছে, ঈদের নামাজ শেষে ঢাকায় অবস্থানরত মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও বিএনপির শীর্ষ নেতারা শেরেবাংলা নগরে যাবেন। সেখানে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন তারা। সমাধি প্রাঙ্গণে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত ও বিশেষ দোয়ার আয়োজনও রাখা হয়েছে।
ধর্ম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল সাড়ে ৭টায়। আবহাওয়া প্রতিকূল হলে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে সকাল ৮টা, ৯টা ও ১০টায় পর্যায়ক্রমে তিনটি জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
এবারের ঈদুল আজহায় রাজনৈতিক নেতাদের কর্মসূচি শুধু নামাজেই সীমাবদ্ধ থাকছে না। কোরবানি, এলাকাবাসীর সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং দলীয় শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে ঈদকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনেও তৈরি হয়েছে ভিন্নমাত্রার ব্যস্ততা।
ঢাকা/এএএম/মাসুদ
হামে আক্রান্ত-উপসর্গে আরো ৮ শিশুর মৃত্যু