RisingBD Online Bangla News Portal

ঢাকা     শুক্রবার   ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ||  ফাল্গুন ১৩ ১৪২৭ ||  ১৩ রজব ১৪৪২

র‌্যাংকিংয়ে দারুণ অর্জনে উচ্ছ্বসিত মিরাজ

চট্টগ্রাম থেকে ক্রীড়া প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৯:২২, ২৭ জানুয়ারি ২০২১   আপডেট: ২১:০৮, ২৭ জানুয়ারি ২০২১

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে দারুণ বোলিংয়ের স্বীকৃতি পেয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। আইসিসির খেলোয়াড় র‌্যাংকিংয়ে বোলারদের তালিকায় শীর্ষ পাঁচে জায়গা করে নিয়েছেন বাংলাদেশের বাঁহাতি অফস্পিনার। ৯ ধাপ এগিয়ে এখন তিনি চতুর্থ বোলার।

নিজের সাফল্যের পর আইসিসি থেকে স্বীকৃতি পাওয়ায় দারুণ খুশি মিরাজ। বুধবার তিনি সংবাদমাধ্যমের কাছে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন, ‘খুব ভালো লাগছে। আমি আসলে চিন্তাও করতে পারিনি যে সেরা পাঁচে থাকতে পারবো। যখন জানতে পেরেছি, তখন থেকে খুব ভালো লাগছে। সতীর্থদের শুভেচ্ছা পেয়ে দারুণ লাগছে।’

বোলিংয়ে পুরোনো বিষ না থাকায় চাপে ছিলেন মিরাজ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে দলে জায়গা পাওয়া নিয়ে ছিল ঘোর অনিশ্চয়তা। প্রতিদ্বন্দ্বিতাও ছিল প্রবল, অফস্পিনার মাহেদী হাসান জাতীয় দলের দরজায় কড়া নাড়ছিলেন।

এ বিষয়টি নিয়ে নতুন অধিনায়ক তামিম ইকবালও ছিলেন অদৃশ্য চাপে। তবুও আস্থা রাখলেন মিরাজের ওপর। প্রতিদান ঠিকই পেয়েছেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজ জয়ে মিরাজ ২.৭০ ইকোনমিতে সর্বোচ্চ ৭ উইকেট নেন। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ২৫ রান খরচায় ৪ উইকেট নিয়ে হয়েছিলেন ম্যাচসেরা। এই ক্যারিবিয়ানদের বিপক্ষে ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ে এক ইনিংসে ৫৮ রানে ৭ উইকেট পেয়েছিলেন। আবার এক ম্যাচে এই উইন্ডিজের ১২ উইকেট নেওয়ার রেকর্ডও আছে তার।

ক্যারিবিয়ানদের বিপক্ষে ওয়ানডেতেও উজ্জ্বল বোলিং পারফরম্যান্স মিরাজের, আগের ১০ ম্যাচে ১২ উইকেট নিয়ে এই সিরিজ খেলতে নেমেছিলেন। অথচ এই সিরিজের আগের ১০ ওয়ানডেতে পান মাত্র ৬ উইকেট, আর শেষ চার টেস্টেও সমান সংখ্যক উইকেট।

প্রিয় প্রতিপক্ষের বিপক্ষে বল করে ফিরে পেয়েছেন নিজেকে। দারুণ বোলিংয়ে ছন্দ পাওয়ার পর এখন পায়ের নিচের মাটিও শক্ত হয়েছে। নিজের বোলিং পরিকল্পনা জানাতে গিয়ে মিরাজ বলেন, ‘যখন আমি টেস্ট ক্রিকেট খেলা শুরু করেছি, আমার চিন্তা ছিল যে শুধু আমি লাল বলেই খেলবো না, সাদা বলেও খেলবো। আমি সেভাবেই নিজেকে মানসিকভাবে প্রস্তুত করেছি। ওয়ানডে ক্রিকেট খেলতে হলে আমার বোলিং ইকোনমি ঠিক রাখতে হবে এবং দলের প্রয়োজনে ব্রেক থ্রু দিতে হবে মাঝেমধ্যে। আমি সেটাই চেষ্টা করেছি।’

এদিকে বাঁহাতি পেসার মোস্তাফিজুর রহমানও ফিরে এসেছেন শীর্ষ দশে। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে ক্যারিয়ার সেরা র‌্যাংকিংয়ে পাঁচে ওঠা মোস্তাফিজ এই তিন ওয়ানডেতে ৬ উইকেট নেন, ইকোনমি রেট ২.৯৫। ১১ ধাপ এগিয়ে আটে ওঠে এসেছেন তিনি। বাংলাদেশের দুই বোলার এখন শীর্ষ দশে, এই বিষয়টি আনন্দ দিচ্ছে মিরাজকে, ‘মোস্তাফিজের শীর্ষ দশে থাকা আমাদের সবার জন্য অনেক ভালো ব্যাপার। সে বিশ্বমানের বোলার এবং ওয়ানডেতে দেশকে অনেক জয় এনে দিয়েছে। ওর জন্য এ রকম একটা অর্জন দরকার ছিল। অনেক দিন সে ছন্দে ছিল না। কিন্তু আমার কাছে মনে হয়েছে, এই সিরিজে সে অনেক ভালো বল করেছে এবং টিম ম্যানেজমেন্ট থেকে শুরু করে প্রত্যেকটা খেলোয়াড় তার পারফরম্যান্স নিয়ে খুশি।’

চট্টগ্রাম/ইয়াসিন/ফাহিম

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়