ঢাকা     বুধবার   ১৯ জানুয়ারি ২০২২ ||  মাঘ ৫ ১৪২৮ ||  ১৪ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

বাংলাদেশের বিপক্ষে জয়কে টার্নিং পয়েন্ট বললেন ফিঞ্চ

ক্রীড়া প্রতিবেদক, দুবাই থেকে || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ০৩:০৪, ১৫ নভেম্বর ২০২১   আপডেট: ০৮:০৫, ১৫ নভেম্বর ২০২১
বাংলাদেশের বিপক্ষে জয়কে টার্নিং পয়েন্ট বললেন ফিঞ্চ

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠা নিয়ে শঙ্কা ছিল অস্ট্রেলিয়ার। শেষ পর্যন্ত এই দলটিই চ্যাম্পিয়ন হয়েছে নিউ জিল্যান্ডকে ৮ উইকেটে উড়িয়ে। ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত সংস্করণে অজিদের এটি প্রথম বিশ্বকাপ।

কিউইদের উড়িয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ, বাংলাদেশের সঙ্গে সুপার টুয়েলভের ম্যাচে জয়কে টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। ইংল্যান্ডের কাছে সুপার টুয়েলভের ম্যাচে পাত্তাই পায়নি অস্ট্রেলিয়া।

এই ম্যাচে হারের পর তাদের ভিত নড়বড়ে হয়ে গিয়েছিল। এরপর বাংলাদেশের সঙ্গে বড় জয়ে বাড়ে তাঁদের রানরেটের চাকা। বাংলাদেশকে ৮ উইকেটে উড়িয়ে দিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। বাংলাদেশ এদিন আগে ব্যাটিং করে মাত্র ৭৩ রান করে।

রান তাড়া করতে নেমে মাত্র ৬ ওভার ২ বলে জিতে যায় অজিরা। এই জয়ই তাদের সেমিফাইনালে উঠতে ভীষণ কাজে লাগে।

‘প্রথম অস্ট্রেলিয়া দল হিসেবে বিশ্বকাপ জেতা বিশাল অর্জন। সতীর্থরা পুরো আসরে যেভাবে লড়াই করেছে সেজন্য গর্বিত। অবশ্যই বাংলাদেশের বিপক্ষে জয়টা আমাদের টার্নিং পয়েন্ট। তখন আমাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে ছিল। আমাদের শক্ত ভাবে ফিরতে হতো এবং দল ও ব্যাক্তিগত পারফরম্যান্সে আমরা সেটাই করেছি’-ফাইনাল শেষে দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে ঠিক এভাবেই বলেছেন ফিঞ্চ।

৫ ম্যাচের মধ্যে অজিরা জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ৪টিতে। দক্ষিণ আফ্রিকারও সমান জয় ছিল। তবে তারা রানরেটে পিছিয়ে থাকায় শেষ পর্যন্ত সেমিফাইনালে উঠতে পারেনি। অস্ট্রেলিয়া সেমিফাইনালে পাকিস্তানকে ৮ উইকেটে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করে। আর ফাইনালে প্রতিবেশী নিউ জিল্যান্ডকেও ৮ উইকেটে উড়িয়ে দেয়। ফাইনালে টস হেরে আগে ব্যাটিং করে নিউ জিল্যান্ড চার উইকেটে ১৭২ রান করে।

টার্গেটে খেলতে নেমে মাত্র ২ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় অস্ট্রেলিয়া। ডেবিড ওয়ার্নার ৫৩ রান করে জয়ের ভিত গড়ে দিয়েছেন। আর মিচেল মার্শ ৭৭ রান করে অপরাজিত থেকে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন। ম্যাচ শেষে অধিনায়ক ফিঞ্চের কণ্ঠে সতীর্থদের জন্য ঝরেছে স্তুতিবাক্য।

ফিঞ্চ বলেন, ‘ যেমন বিশ্বাস করতে পারিনা যে ওয়ার্নারের ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলেছে। তবে এটা ভাল হয়েছে। কারণ ওরা ভালুককে খোচা দিয়ে জাগিয়েছে। জাম্পা আমার কাছে টুর্নামেন্ট সেরা, ম্যাচ নিয়ন্ত্রন করেছে সঠিক সময়ে উইকেট এনেছে। মিচেল মার্শ সেই শুরু থেকে সে নির্ভরযোগ্য তিন নম্বর হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। এই তিনজন ছাড়াও দলের সবাই আসরে ভালো খেলেছে।’

দুবাই/রিয়াদ

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়