ঢাকা     মঙ্গলবার   ১৮ জানুয়ারি ২০২২ ||  মাঘ ৫ ১৪২৮ ||  ১৪ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

ইবাদত-খালেদদের বোলিং দশে পেলো ৫-৬

ক্রীড়া প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৮:৩৭, ৫ ডিসেম্বর ২০২১  
ইবাদত-খালেদদের বোলিং দশে পেলো ৫-৬

নতুন বলে ধারহীন বোলিংয়ে কোনো উইকেট আদায় করতে পারছেন না বাংলাদেশের পেসাররা। ইবাদত হোসেন ও খালেদ আহমেদের বোলিং একেবারেই নির্বিষ। তাতে ব্যাটসম্যানরা খুব সহজেই উইকেটে থিতু হতে পারছেন। এরপর ধারাবাহিক রান তুলছেন।

চট্টগ্রাম টেস্টে পাকিস্তানের দুই ইনিংসেই উদ্বোধনী জুটির রান শতরান পেরিয়ে যায়। ঢাকায় তাইজুল যখন আবীদ আলী ও আব্দুল্লাহ শফিকের জুটি ভাঙেন তখন পাকিস্তানের রান ৫৯। অথচ নিজেদের ঘরের মাঠে পেসাররা কোনো সুযোগই তৈরি করতে পারছেন না। ভিন্ন চিত্র অতিথি শিবিরে। আফ্রিদি, হাসান আলীরা দুর্দান্ত বোলিংয়ে নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ করে এলোমেলো করে দিচ্ছে বাংলাদেশের টপ অর্ডার।

স্থানীয় পেসারদের এমন অধারাবাহিক পারফরম্যান্সের কারণ কি? জানতে চাওয়া হয়েছিল স্থানীয় কোচ ও এবারের সিরিজে ফিল্ডিং কোচের দায়িত্ব পালন করা মিজানুর রহমান বাবুলের কাছে। উত্তরে তিনি বাংলাদেশের পেসারদের বাস্তবতাই তুলে ধরেছেন।

‘দুজন পেসার খেলিয়েছি, আবহাওয়াও আমাদের অনুকূলে ছিল। কিন্তু ওই অনুযায়ী আমরা পারফর্ম করিনি, এটাই বাস্তবতা। টেস্ট ম্যাচ ধৈর্য্যের খেলা। ব্যাটিংয়ের মতো বোলিংয়েও ধৈর্য্য থাকতে হয়। যখন ছেলেরা উইকেট না পায় তখন যদি এটা নাড়াচাড়া করে। তবে যাদের অন্য সামর্থ্য আছে তারা হয়তো কিছু করতে পারে।’ – বলেছেন মিজানুর রহমান।

সঙ্গে পেসারদের দশের ভেতরে মার্কিংও করেছেন তিনি, ‘আমাদের স্পিনাররা পেসারদের চেয়ে এগিয়ে থাকে উইকেটের জন্য, কন্ডিশনের জন্য। অন্যান্য দেশের সাথে যদি আমাদের পেসারদের তুলনা করেন তাহলে ১০ এর মধ্যে হয়ত ৫-৬ দিব।’

পাকিস্তান সিরিজের পরপরই বাংলাদেশ যাবে নিউ জিল্যান্ডে। নিউ জিল্যান্ডে নতুন বলে তাসকিনকেই দায়িত্ব নিতে হবে বলে মনে করছেন মিজানুর রহমান, ‘আমরা সবাই জানি যে নিউ জিল্যান্ডে পেস বান্ধব উইকেট থাকে। আর আমাদের সাথে সেরা পেস বোলিং ইউনিটটাই যাচ্ছে। তারা এখন নিয়মিত পারফর্ম করছে, জোরে করতে পারে। তাসকিন যাচ্ছে, ইবাদত, শহিদুল, শরিফুল আছে। তো আমাদের সেরা বোলিং ইউনিট নিয়ে যাচ্ছি। ভালো জায়গায় যদি ছেলেরা বল করতে পারে…ওখানে যদি আমরা ভালো শুরু করি তাহলে বোলিং ভালো হবে। যদিও পরিসংখ্যান অন্য কথা বলে।’

‘তাসকিন আমাদের সবচেয়ে জোরে বল করে বা ওর খেলার অভিজ্ঞতা বেশি। ও যদি এক্সট্রা অর্ডিনারি বোলিং করতে পারে বা বাড়তি কোন দায়িত্ব তাকে দেওয়া হয় যে ইনিশিয়ালি উইকেট নিতে হবে। অন্যরা যদি বোলিংয়ের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারে ওইখানে আমরা সফল হতে পারি।’

ঢাকা/আমিনুল

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়