ঢাকা     মঙ্গলবার   ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ||  মাঘ ২৭ ১৪৩২

Risingbd Online Bangla News Portal

২০২৮ যুব বিশ্বকাপের আয়োজক হতে পারে বাংলাদেশ!

ক্রীড়া প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৯:৫৭, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬   আপডেট: ১৯:৫৮, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
২০২৮ যুব বিশ্বকাপের আয়োজক হতে পারে বাংলাদেশ!

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ মাঠে চলছে। কিন্তু মাঠের বাইরের উত্তাপটাই এখন পর্যন্ত বেশি। ভারত ও পাকিস্তান ম্যাচ খেলবে কিনা তা গতকাল পর্যন্ত নিশ্চিত ছিল না। রোববার লাহোরে আইসিসি, পিসিবি বৈঠকে ক্রিকেট বিশ্বের সবচেয়ে হাইভোল্টেজ ম্যাচের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ হয়।

পাকিস্তান ভারতের বিপক্ষে বিশ্বকাপ ম্যাচ না খেলার সিদ্ধান্ত পাল্টেছে। তাতে পুরো ক্রিকেট বিশ্ব যেন হাঁফ ছেড়ে বেঁচেছে। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের এই সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের পেছনে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডও (বিসিবি) রেখেছে ভূমিকা। সঙ্গে লাভবান হয়েছে বাংলাদেশও।

আরো পড়ুন:

পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান মহসিন নাকভির আমন্ত্রণে লাহোরে হুট করে গিয়ে আমিনুল ইসলাম বুলবুল বড় সংবাদ নিয়ে দেশে ফিরেছেন। হ্যাঁ, সংবাদটা বড়। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়াতে বিসিবিকে কোনো আর্থিক, ক্রিকেটীয় বা প্রশাসনিক শাস্তি দেওয়া হবে না বলে নিশ্চিত করেছে আইসিসি। বাংলাদেশের যেন আর্থিক কোনো ক্ষতি না হয় সেই দিকটি পাকিস্তান নিশ্চিত করেছে। তাহলেই ভারতের বিপক্ষে তারা খেলবে সেই শর্ত দিয়েছিল। আইসিসিও তা মেনে নিয়েছে।

সঙ্গে বাড়তি পাওয়াও আছে। আইসিসি ২০৩১ সালের আগে বাংলাদেশকে আরেকটি আইসিসি ইভেন্টে আয়োজক করতে পারে। সেটা হতে পারে ২০২৮ যুব বিশ্বকাপ। মৌখিক যে আলাপ আলোচনা হয়েছে, বাংলাদেশ যুব বিশ্বকাপই পেতে পারে। এর আগে এই প্রতিযোগিতা সফলভাবে আয়োজন করেছে বাংলাদেশ। তাছাড়া সাম্ভাব্য আইসিসি ইভেন্টে আছে যুব নারী বিশ্বকাপ। বিসিবি সভাপতি আমিনুল ছেলেদের যুব বিশ্বকাপ আয়োজন করার আগ্রহ দেখিয়েছেন। এমনটিই শোনা গেছে। পাকিস্তানের গণমাধ্যমেও তা উঠে এসেছে।

আইসিসির জন্য যুব বিশ্বকাপের আয়োজক নির্ধারণ করার কাজটা বরাবরই কঠিন। কেননা বড় দেশগুলো এই ইভেন্টের থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। অতীতের রেকর্ড তাই বলছে। ভারত ও ইংল্যান্ডের মতো দেশ কখনই অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের আয়োজক হয়নি। ১৯৮৮ সাল থেকে শুরু হওয়া এই প্রতিযোগিতার প্রথম আসর বসেছিল অস্ট্রেলিয়াতে। ২০১২ সালে তারা সবশেষ আয়োজন করে। সেটাও ১৪ বছর আগে।

আইসিসি ইভেন্ট আয়োজনের ক্ষেত্রে এই তিনটা দেশ অনেক বেশি আগ্রহী হয়, বিশেষ করে পুরুষদের আইসিসি ইভেন্টের ক্ষেত্রে। ‘বিগ থ্রি’ যাদেরকে বলা হয় তাদের অনাগ্রহে বাকিদের সুযোগ হয়। বাংলাদেশ ২০০৪ ও ২০১৬ সালে এই প্রতিযোগিতা আয়োজন করেছে। শ্রীলঙ্কাও করেছে দুইবার। সবশেষ ২০ বছর আগে।

বাংলাদেশে এই আয়োজন করা আইসিসির জন‌্য লাভজনক। কেননা বাংলাদেশে আয়োজন করার খরচটা কম। সঙ্গে আর্থিক লাভটাও হয়। দুই বছর পর আরেকটি যুব বিশ্বকাপ আয়োজন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ তা অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে আছে। এখন কেবল আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষা।

ঢাকা/ইয়াসিন/আমিনুল

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়