ঢাকা, মঙ্গলবার, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২১ মে ২০১৯
Risingbd
সর্বশেষ:

দেহঘড়ির হেরফেরে মানসিক রোগের ঝুঁকি বাড়ে

শাহেদ হোসেন : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৮-০৫-১৬ ৬:২৯:২৩ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৮-০৫-১৬ ৬:২৯:২৩ পিএম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মানুষের দেহঘড়িতে হেরফের ঘটলে মানসিক রোগের ঝুঁকি বাড়ে। ইউনিভার্সিটি অব গ্লাসগোর গবেষকরা নতুন এক গবেষণায় এ তথ্য জানিয়েছেন।

৯১ হাজার লোকের ওপর পরিচালিত ওই গবেষণায় দেখা গেছে, মানুষের মাঝে সৃষ্ট হতাশা , মানসিক ভারসাম্যহীনতা ও অন্যান্য সমস্যার সঙ্গে দেহঘড়ির ভারসাম্যহীনতার সংযোগ রয়েছে। প্রকৃতির ছন্দের সঙ্গে সমাজের তাল মেলানোর গতি যে কমে আসছে এটা তারই সতর্কবার্তা বলে জানিয়েছেন গবেষকরা।

গবেষণা দলের সদস্য অধ্যাপক ড্যানিয়েল স্মিথ জানিয়েছেন, গবেষণায় মোবাইল ফোনের ব্যবহারের ওপর দৃষ্টি দেওয়া হয়নি। তবে গবেষণায় অংশ নেওয়া কিছু লোক, যাদের সমস্যা আছে বলে ধরা পড়েছে তারা হয়তো রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে থাকতে পারেন।

তিনি বলেন, ‘আমার ক্ষেত্রে রাতে ১০টার আগেই আমার ফোন বন্ধ হয়ে যায়। কারণ স্পষ্টতই আমাদের যখন ঘুমানো উচিৎ তখন মোবাইলের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকি না।’

গবেষণায় যারা অংশ নিয়েছিলেন তাদের দেহঘড়িতে কীভাবে ব্যতয় ঘটে তা জানতে তাদেরকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছিল। যারা রাতে বেশি সক্রিয় অথবা দিনের বেলা নিস্ক্রিয় থাকে তাদেরকে এই ব্যতয় শ্রেণিতে ফেলা হয়েছে। যারা দিনের বেলা সক্রিয় ও রাতে নিস্ক্রিয় থাকে তাদের তুলনায় এই ব্যতয় শ্রেণির লোকদের মধ্যে মানসিক সমস্যার হার ৬ থেকে ১০ শতাংশের মাঝামাঝি।

গবেষণায় দেখা গেছে, যাদের দেহঘড়িতে ব্যতয় ঘটে তাদের মধ্যে অতিরিক্ত হতাশা, স্নায়বিক সমস্যা, অতিরিক্ত নিঃসঙ্গতাবোধ, কম সুখী, বাজে প্রতিক্রিয়া এবং মানসিক অস্থিতিশীলতা দেখা দেয়।



রাইজিংবিডি/ঢাকা/১৬ মে ২০১৮/শাহেদ

Walton Laptop
     
Walton AC
Marcel Fridge