বিপিএলে দুর্নীতি: এক ক্রিকেটার ও চার কর্মকর্তার শাস্তি
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ‘‘আইসিসি অ্যান্টিকরাপশন কোড ফর পারটিপিশন’’ বিধিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগে কয়েকজন খেলোয়াড়, দলীয় কর্মকর্তা, ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছে। এসব অভিযোগ বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ টি-টোয়েন্টির ১২তম আসরকে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ইন্টেগ্রিটি ইউনিটের তদন্তের ভিত্তিতে আনা হয়েছে।
অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন লাবলুর রহমান (টিম ম্যানেজার চট্টগ্রাম রয়্যালস), তৌহিদুল হক তৌহিদ (ফ্র্যাঞ্চাইজি সহ-মালিক নোয়াখালী এক্সপ্রেস), অমিত মজুমদার (ক্রিকেটার), রেজওয়ান কবির সিদ্দিকী (টিম ম্যানেজার সিলেট টাইটান্স)।
অভিযুক্তদের সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে এবং অভিযোগপত্র পাওয়ার পর থেকে অভিযোগের জবাব দেওয়ার জন্য তাদের ১৪ দিন সময় দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া, বিসিবি “বিসিবি এক্সক্লুডেড পারসন পলিসি” অনুযায়ী সামিনুর রহমানের বিরুদ্ধে একটি নিষেধাজ্ঞামূলক আদেশ জারি করেছে। বিপিএল টি-টোয়েন্টির নবম, দশম ও এগারতম আসরসহ একাধিক আসরে দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ডের তদন্তের পর এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
তদন্তে খেলোয়াড় ও এজেন্টদের কাছে দুর্নীতিমূলক প্রস্তাব দেওয়া, বেটিং-সংক্রান্ত কার্যকলাপ, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বেটিং ও দুর্নীতি চক্রের সঙ্গে যোগাযোগ, এবং ক্রিকেট ম্যাচে দুর্নীতি সংঘটনে সহায়তার অভিযোগ উঠে আসে।
এক্সক্লুশন অর্ডার জারির আগে পাঠানো নোটিশের জবাবে সামিনুর রহমান নিজের প্রতিক্রিয়া জানানোর অধিকার ত্যাগ করেন এবং তার বিরুদ্ধে জারি করা নিষেধাজ্ঞা মেনে নেন।
তবে অভিযুক্তরা সবাই একই অভিযোগে অভিযুক্ত নয়। কারো অভিযোগ গুরুতর। কারো সামান্য। সাবেক ক্রিকেটার লাবলু যথাযথ কারণ ছাড়া তদন্তে সহযোগিতা না করা বা অস্বীকৃতি জানিয়েছেন৷ দুর্নীতি দমন কমিশনের তদন্তে বাধা সৃষ্টি বা বিলম্ব ঘটানো এবং যোগাযোগ ও তথ্য গোপন করা বিরাট অপরাধের শামিল। তৌহিদুল হক তৌহিদের বিরুদ্ধেও একই অভিযোগ।
ক্রিকেটার অমিত ও রেজওয়ান কবির সিদ্দিকী ক্রিকেট ম্যাচের ফলাফল, অগ্রগতি, পরিচালনা বা অন্য কোনো বিষয়ের ওপর বাজি ধরে অভিযুক্ত হয়েছেন। অমিত বিপিএলে খেলেননি। কিন্তু তার কর্মকাণ্ড নজরদারিতে ছিল।
ঢাকা/ইয়াসিন/আমিনুল
বগুড়া সিটি করপোরেশন হচ্ছে, দেশে নতুন ৫ উপজেলার অনুমোদন