বিপিএল পারিশ্রমিক ইস্যুতে মুখোমুখি অবস্থানে নাসুম-সিলেট
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) নিয়ে আয়োজকরা যতই স্বচ্ছতার কথা বলুক, বিতর্ক এর পেছনে লেগে থাকবেই। কেননা যত্রতত্র আয়োজন, পরিকল্পনা মাফিক সিদ্ধান্ত না নেওয়া এবং সিদ্ধান্তে অটল না থাকার প্রভাবে বারবার বিপিএল বিতর্কিত হয়। এবারও ঠিক তেমন কিছুই হলো।
সর্বশেষ আসরে সিলেট টাইটান্সের হয়ে খেলা জাতীয় দলের স্পিনার নাসুম আহমেদের পারিশ্রমিক নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। যা নিয়ে মুখোমুখি অবস্থানে দুই পক্ষ। নাসুমের দাবি, তার ৩৫ লাখ টাকা পারিশ্রমিক বকেয়া আছে। সিলেট এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বলেছে, কোনো পারিশ্রমিক বকেয়া নেই। নাসুম গণমাধ্যমে বলেছেন, ‘‘সরাসরি চুক্তিতে সিলেট টাইটান্সে যুক্ত হয়েছি। কিন্ত বিপিএল শেষ হয়েছে ৩ মাস হলেও এখন চুক্তির ৩৫ লাখ টাকা পাইনি। চেক আছে। কিন্তু সেই চেকের থেকে টাকা তোলার সুযোগ নেই।’’
সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে সিলেট টাইটান্স। তাদের দাবি, বিপিএল ২০২৫-২০২৬ মৌসুমে খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক সংক্রান্ত বিষয়টি গত মাসে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) কার্যালয়ে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করা হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী নাসুম আহমেদের মোট পাওনা ছিল ৩৫ লাখ টাকা (বি-ক্যাটাগরি), যা তারা সম্পূর্ণ পরিশোধ করেছে। ফ্র্যাঞ্চাইজির ভাষ্য অনুযায়ী, বর্তমানে তার কোনো বকেয়া অর্থ তাদের কাছে নেই।
বোনাস প্রসঙ্গেও ব্যাখ্যা দিয়েছে সিলেট টাইটান্স। তারা জানায়, নিলামের আগে খেলোয়াড়দের সঙ্গে পারিশ্রমিক ও বোনাস নিয়ে মৌখিক আলোচনা হয়েছিল, যেখানে শর্ত ছিল দল যদি চ্যাম্পিয়ন হয় তবে অতিরিক্ত বোনাস দেওয়া হবে। তবে দল কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জন করতে না পারায় ওই বোনাস প্রদানের কোনো চুক্তিগত বা আইনি বাধ্যবাধকতা তৈরি হয়নি। ফলে স্বাক্ষরিত চুক্তিপত্র অনুযায়ীই সব আর্থিক লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে ।’’
নাসুমের টাকা ব্যাংকের না দিয়ে নগদে পরিশোধ করার কথাও বলছে সিলেট ফ্র্যাঞ্চাইজি। তাদের দাবি, নাসুম নিজেই সরাসরি নগদ টাকা চেয়েছিলেন।
‘‘নাসুম আহমেদের অনুরোধেই তার প্রাপ্য অর্থ নগদে সরাসরি পরিশোধ করা হয়, ব্যাংকিং পদ্ধতিতে নয়। একই সঙ্গে টুর্নামেন্ট চলাকালীন নিরাপত্তার কারণে অগ্রিম হিসেবে দেওয়া কিছু চেক অন্যান্য খেলোয়াড়রা পেমেন্ট গ্রহণের পর ফেরত দিলেও নাসুম আহমেদ সেই চেকগুলো এখনো ফেরত দেননি বলে দাবি করা হয়। এছাড়া বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) কার্যালয়ে উপস্থিত থেকে পাওনা বুঝে নেওয়ার নির্ধারিত দিনে তিনি অনুপস্থিত ছিলেন এবং পরবর্তীতে একাধিকবার অনুরোধ করা সত্ত্বেও চেকগুলো ফেরত দেননি।’’
ঢাকা/ইয়াসিন/আমিনুল
হামসহ শিশুদের টিকা নিয়ে দুদকে অভিযোগ: অধ্যাপক ইউনূস ও সাবেক উপদেষ্টা নূরজাহানের বিরুদ্ধে তদন্ত দাবি