ঢাকা     শনিবার   ২৫ মে ২০২৪ ||  জ্যৈষ্ঠ ১১ ১৪৩১

খুলনা বিভাগের শ্রেষ্ঠ ৫ জয়িতাকে সম্মাননা

নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ২০:৩৭, ২৮ জানুয়ারি ২০২৪  
খুলনা বিভাগের শ্রেষ্ঠ ৫ জয়িতাকে সম্মাননা

খুলনা বিভাগের পাঁচ জন শ্রেষ্ঠ জয়িতাকে সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। রোববার (২৮ জানুয়ারি) খুলনা জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে ‘জয়িতা অন্বেষণে বাংলাদেশ’ শীর্ষক কর্মসূচির আওতায় প্রধান অতিথি হিসেবে মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী সিমিন হোসেন এ সম্মাননা প্রদান করেন। এ সময় প্রত্যেক জয়িতার হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট, সনদপত্র ও ২৫ হাজার টাকা দেয়া হয়। 

এ ছাড়া বিভাগীয় পর্যায়ে রানারআপ ও বিভাগের ১০ জেলা থেকে নির্বাচিত জয়িতাদের সনদপত্র ও ক্রেস্ট দেয়া হয়।

বিভাগীয় পর্যায়ে সম্মাননা প্রাপ্ত শ্রেষ্ঠ পাঁচ জয়িতা হলেন, অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী নারী ক্যাটাগরিতে বাগেরহাটের সুমা মণ্ডল, শিক্ষা ও চাকরি ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী ঝিনাইদহের মোছা. জেসমিন নাহার কামনা, সফল জননী ক্যাটাগরিতে কুষ্টিয়ার চন্দনা রানী কুণ্ডু, নির্যাতনের বিভীষিকা মুছে ফেলে নতুন উদ্যোমে জীবন শুরু করা সাতক্ষীরার রেহেনা পারভীন এবং সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখায় খুলনার পাখি দত্ত হিজড়া।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী সিমিন হোসেন বলেন, সংবিধান প্রতিটি মানুষকে মানুষ হিসেবে বাঁচার অধিকার দিয়েছে। যেখানে নারী বা পুরুষ আলাদা করে বিবেচনা করা হয়নি। সমাজ পাল্টানোর দায়িত্ব জয়িতাদের। জয়িতারা জীবন সংগ্রামে জয়ী হবেই।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘জয়িতা হলো সংগ্রামী নারী, জয়িতা হলো বিজয়ী নারী, জয়িতা হলো যে সবসময় স্বপ্ন দেখে সামনে এগিয়ে যাওয়ার। মেয়েদের জন্য সমাজে নিজস্ব সত্ত্বা নিয়ে টিকে থাকা কঠিন একটি বিষয়। আমাদের সমাজে মেয়েরা যখন সংগ্রাম করে এগিয়ে যেতে চেষ্টা করছে, সেই সময় আমাদের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই নারীদের জয়িতা বলে সম্মান দিলেন। দেশব্যাপী জয়িতা অন্বেষণে শেষ পর্যন্ত পাঁচ জন জয়িতা বিজয়ী হন। কিন্তু এ প্রক্রিয়ায় যে আলোড়ন বা জাগরণ সৃষ্টি হয় তা নারীদের সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে পথপ্রদর্শকের মতো কাজ করে।’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নাজমা মোবারেক, মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কেয়া খান, পরিচালক জাকিয়া আফরোজ, খুলনার জেলা প্রশাসক খন্দকার ইয়াসির আরেফীন ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) সুশান্ত সরকার।

খুলনার বিভাগীয় কমিশনার মো. হেলাল মাহমুদ শরীফের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তৃতা করেন জেলা মহিলাবিষয়ক দপ্তরের উপপরিচালক হাসনা হেনা। জেলা মহিলাবিষয়ক দপ্তরের উদ্যোগে খুলনা বিভাগীয় প্রশাসন এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
 

নুরুজ্জামান/বকুল 

সম্পর্কিত বিষয়:

আরো পড়ুন  



সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়