ঢাকা     সোমবার   ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ||  মাঘ ২৬ ১৪৩২

Risingbd Online Bangla News Portal

আইসিসি যা সিদ্ধান্ত নিবে তাই মানবে ভারত

ক্রীড়া ডেস্ক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৯:৫৮, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬  
আইসিসি যা সিদ্ধান্ত নিবে তাই মানবে ভারত

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ বয়কট নিয়ে তৈরি হওয়া অচলাবস্থা কাটতে পারে শিগগিরই। রবিবার লাহোরে অনুষ্ঠিত আইসিসির জরুরি বৈঠকের পর নতুন করে আশার আলো দেখছে ক্রিকেট বিশ্ব। বৈঠকে অংশ নেন আইসিসির ডেপুটি চেয়ারম্যান ইমরান খাজা, পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি এবং বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম।

আজ সোমবার (০৯ ফেব্রুয়ারি) ভারতের ক্রিকেট বোর্ডের সহ-সভাপতি রাজীব শুক্লা পরিষ্কারভাবে জানিয়েছেন, এই ইস্যুতে বোর্ডের আলাদা কোনো অবস্থান নেই। আইসিসি যে সিদ্ধান্ত নেবে, সেটাই মেনে চলবে ভারত। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘‘আইসিসির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। সেই সিদ্ধান্তই অনুসরণ করবে ভারতীয় বোর্ড।’’

আরো পড়ুন:

পাকিস্তানি গণমাধ্যমের খবর, আইসিসি, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের মধ্যে আলোচনার পর শিগগিরই এই অচলাবস্থার সমাধান হতে পারে। এদিকে পিসিবি বিষয়টি নিয়ে চূড়ান্ত নির্দেশনার জন্য পাকিস্তান সরকারের সঙ্গে আবারও আলোচনা করবে বলে জানিয়েছে জিও টিভি। এরপর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে।

এর আগে পাকিস্তান সরকার ঘোষণা দেয়, ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোয় নির্ধারিত ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে মাঠে নামবে না তাদের দল। প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ পরে জানান, বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার ঘটনায় সংহতি প্রকাশের অংশ হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ তাদের ম্যাচগুলো ভারতের বাইরে আয়োজনের অনুরোধ করলেও আইসিসি তা মানেনি। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে না পারায় তাদের জায়গায় স্কটল্যান্ডকে টুর্নামেন্টে নেওয়া হয়।

এদিকে আইসিসি পিসিবির কাছে জানতে চেয়েছে, তারা ঠিক কীভাবে ‘ফোর্স মাজ্যর’ পরিস্থিতি মোকাবিলার চেষ্টা করেছে। সদস্য অংশগ্রহণ চুক্তি অনুযায়ী, কোনো দল যদি ম্যাচে অংশ না নেয়, তাহলে সেই সিদ্ধান্তের পক্ষে যথেষ্ট প্রমাণ ও যুক্তি দেখাতে হয়।

আইসিসি জানিয়েছে, ম্যাচটি না হলে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে পারে সংস্থাটি। যদিও তারা কোনো সংঘাতে যেতে চায় না। তবে নিয়ম ভাঙা হলে সদস্যপদ স্থগিত বা বাতিল করার ক্ষমতাও তাদের রয়েছে।

পিসিবি মনে করছে, বিষয়টি যদি আইনি জটিলতায় গড়ায়, তাহলে তাদের পক্ষে কিছু নজির রয়েছে। অতীতে দুই বোর্ডের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ নিয়ে বিরোধ আইসিসির বিরোধ নিষ্পত্তি কমিটিতে গড়িয়েছিল। তখন ভারত সরকার অনুমতি না দেওয়ায় সিরিজ হয়নি। সেই ঘটনাকেই সম্ভাব্য উদাহরণ হিসেবে দেখছে পাকিস্তান বোর্ড।

সব মিলিয়ে, রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝেও ভারত-পাকিস্তান ম্যাচটি আদৌ অনুষ্ঠিত হবে কি না, সেটিই এখন ক্রিকেট দুনিয়ার সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

ঢাকা/আমিনুল

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়