ঢাকা     বৃহস্পতিবার   ২০ জুন ২০২৪ ||  আষাঢ় ৬ ১৪৩১

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৩

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ২০:১৫, ১০ মে ২০২৪  
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৩

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা ছাত্রলীগের বিশেষ কর্মী সমাবেশ চলাকালে জেলা ছাত্রলীগের দুই সাংগঠনিক সম্পাদকের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এ ঘটনায় ৩ জন ছাত্রলীগ কর্মীকে পিটিয়ে আহত করা হয়।

শুক্রবার (১০ মে) দুপুর ১টার দিকে স্থানীয় বঙ্গবন্ধু স্কয়ারের জাতীয় বীর আবদুল কুদ্দুস মাখন পৌর মুক্তমঞ্চে জেলা ছাত্রলীগের বিশেষ কর্মীসভা চলাকালে সমাবেশ স্থলের পাশে সমবায় মার্কেটের সামনে এই সংঘর্ষ হয়।

আহত ছাত্রলীগ কর্মীরা হলেন- শহরের কাজীপাড়া মহল্লার সাদাফ (১৫), একই এলাকার নীরব (১৬) ও খন্দকার নূর (১৫)। তারা সবাই জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক-(১) মহসিন মোল্লার সমর্থক।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে বঙ্গবন্ধু স্কয়ারের জাতীয় বীর আবদুল কুদ্দুস মাখন পৌর মুক্তমঞ্চে জেলা ছাত্রলীগের বিশেষ কর্মীসভা চলাকালে জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক-(১) মো. মহসীন মোল্লার সমর্থকরা সমাবেশ স্থলের পাশে সমবায় মার্কেটের সামনে জড়ো হয়। এসময় অপর সাংগঠনিক সম্পাদক-(২) রহুল আমীন আফ্রিদির সমর্থকরা হঠাৎ করেই মহসিন মোল্লার সমর্থকদের উপর চড়াও হয়। এসময় মহসিন মোল্লার তিন সমর্থককে পিটিয়ে আহত করেন আফ্রিদির সমর্থকরা। পরে ছাত্রলীগের কর্মীরা আহত অবস্থায় তিন ছাত্রলীগ কর্মীকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

হাসপাতালে আহত নীরব ও সাদাফ জানান, পূর্ব থেকেই তাদের সাথে বিরোধ ছিলো। এই বিরোধের জেরে তাদের উপর হামলা করা হয়েছে। তারা বলেন, কোনো কিছু বুঝে উঠার আগেই প্রতিপক্ষ রুহুল আমীন আফ্রিদী'র সমর্থকরা আমাদের উপর হামলা চালায়। আমরা হামলাকারীদের বিচার দাবি করছি।

জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক-১ মো. মহসীন মোল্লা বলেন, আমার অনুসারীদের উপর হামলার ঘটনায় আমি আইনগত পদক্ষেপ নেব।

অপর সাংগঠনিক সম্পাদক-২ রুহুল আমীন আফ্রিদী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আমার কর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

২৫০ শয্যা বিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক আরিফুজ্জামান হিমেল বলেন, আহতরা সবাই শংঙ্কামুক্ত।

এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসলাম হোসেন বলেন, সংঘর্ষ চলাকালে ঘটনাস্থলেই ছিল পুলিশ। তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ সদস্যরা ধাওয়া করে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের ছত্রভঙ্গ করে দিয়েছে। এ ব্যাপারে এখন পর্যন্ত থানায় কেউ অভিযোগ করেননি।

মাইনুদ্দীন/ফয়সাল

সম্পর্কিত বিষয়:

আরো পড়ুন  



সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়