ঢাকা     বৃহস্পতিবার   ২৬ মার্চ ২০২৬ ||  চৈত্র ১৩ ১৪৩২ || ৬ শাওয়াল ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

গাইবান্ধা-২ আসনে পুনরায় ভোট গ্রহণের দাবি পরাজিত প্রার্থীর 

গাইবান্ধা প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৭:৫২, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬  
গাইবান্ধা-২ আসনে পুনরায় ভোট গ্রহণের দাবি পরাজিত প্রার্থীর 

জেলা বিএনপি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে পুনরায় ভোট গ্রহণের দাবি করেন আনিসুজ্জামান খান বাবু।

ফলাফল টেম্পারিং করে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে জয়ী করার অভিযোগ এনে গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুনরায় ভোট গ্রহণের দাবি করেছেন পরাজিত প্রার্থী আনিসুজ্জামান খান বাবু। 

আজ শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে জেলা বিএনপি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি করেন তিনি।

আরো পড়ুন:

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী আনিসুজ্জামান খান বাবু পেয়েছেন ৯১ হাজার ৩০৬ ভোট। আর জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী আব্দুল করিম ১ লাখ ২১ হাজার ৯৮ পেয়ে জয়ী হয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত প্রশ্নের জবাবে আনিসুজ্জামান খান বাবু বলেন, ‘‘অন্তত ৩০টি কেন্দ্রের দায়িত্বরত প্রিজাইডিং অফিসাররা ভোট শুরুর আগেই কারচুপির উদ্দেশে ধানের শীষের পোলিং এজেন্টদের কাছ থেকে স্বাক্ষর নেন। কী উদ্দেশ্যে তারা স্বাক্ষর নিয়েছেন, তা সহজে অনুমেয়।’’ তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যকে জানানোও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। 
 
এ পরাজিত প্রার্থী আরো অভিযোগ করেন, ‘‘দুপুর ২টার পর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যরাও ধানের শীষের সমর্থক ভোটার ও পোলিং এজেন্টদের বিরুদ্ধে মারমুখী আচরণ করেছে।’’ 

কারচুরি করে তাকে নির্বাচনে হারিয়ে দেওয়ার অভিযোগ করেন আনিসুজ্জামান খান বাবু। তিনি দাবি করেন, ‘‘ভোট ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে আমাকে পরাজিত করা হয়েছে। জাল জালিয়াতির মাধ্যমে ভোটে অনিয়ম করে ফলাফল টেম্পারিং করে দাঁড়িপাল্লা মার্কাকে বিজয়ী ঘোষণা করেছে।’’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে ভোট গ্রহণ হয়। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ২৯৭ আসনের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেছে ইসি। উচ্চ আদালতের নির্দেশনা থাকায় চট্টগ্রাম–২ ও ৪ আসনের ফলাফলের গেজেট এখন জারি করা হয়নি।

নির্বাচনে ২৯৭ আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টিতে জয় পেয়েছে। ফল ঘোষণা স্থগিত থাকা দুটি আসনেও বিএনপির প্রার্থীরা এগিয়ে আছেন। তাদের শরিকেরা পেয়েছে তিনটি আসন। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে ৬৮টি আসন। জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের অন্য শরিকেরা পেয়েছে ৯টি আসন।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। 

গণভোটের ফলাফলেরও গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। গেজেটের তথ্য অনুযায়ী, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন ৪ কোটি ৮২ লাখ ৬৬০ জন। অন্যদিকে ‘না’ ভোট দিয়েছেন ২ কোটি ২০ লাখ ৭১ হাজার ৭২৬‍ জন। গণভোটে বাতিল করা ব্যালট পেপারের সংখ্যাও বিপুল, ৭৪ লাখ ২২ হাজার ৬৩৭টি।

ঢাকা/লুমেন/বকুল

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়