মৌলভীবাজারে চাঁদনী ঘাটে কোরবানির মাংসের হাট
মৌলভীবাজার প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম
মৌলভীবাজার শহরের চাঁদনী ঘাট এলাকায় প্লাস্টিকের ব্যাগে মাংস বিক্রি করতে দেখা যায় কয়েকজনকে।
পবিত্র ঈদুল আজহার দিন সন্ধ্যা নামতেই মৌলভীবাজার শহরের চাঁদনী ঘাট এলাকায় জমে ওঠে ব্যতিক্রমী মাংসের হাট। মধ্যরাত পর্যন্ত চলা হাটে বাড়ি বাড়ি ঘুরে কোরবানির পশুর সংগ্রহ করা মাংস এনে বিক্রি করেন অনেকে।
হাটে আসা ক্রেতাদের বেশির ভাগই নিম্ন আয়ের। যাদের কোরবানি দেওয়ার সামর্থ্য নেই তারা হাট থেকে মাংস কিনে পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করেন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চাঁদনী ঘাটে অস্থায়ীভাবে বসা হাটে কেউ ছোট ছোট প্যাকেট করে মাংস বিক্রি করছেন, আবার কেউ পশুর মাংসের বড় অংশের দরদাম করছেন। এই হাটে ক্রেতাদের আগ্রহ ছিল চোখে পড়ার মতো।
স্থানীয়রা জানান, বহু বছর ধরে ঈদের দিন সন্ধ্যায় চাঁদনী ঘাট এলাকায় এমন অস্থায়ী মাংসের হাট বসছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এর পরিধিও বেড়েছে। অনেকেই এটিকে ঈদের দিনের একটি পরিচিত দৃশ্য হিসেবে দেখেন।
কথা হলে মাংস বিক্রেতা আব্দুল হামিদ বলেন, “আমরা সারাদিন এ বাড়ি ও বাড়ি থেকে কোরবানির মাংস সংগ্রহ করেছি। ঘরে রাখার সুবিধা না থাকায় অতিরিক্ত মাংস বিক্রি করতে এসেছি। ওজন হিসেবে বিক্রি না করে প্রতিটি ছোট ব্যাগ ভর্তি মাংসের দাম ২৫০০ টাকা বলছি। ক্রেতারা ২০০০ টাকা বলছেন। দরদামে একমত হলে বিক্রি করে দিচ্ছি।”
বিক্রেতা রিপন মিয়া বলেন, “আত্মীয়-স্বজনের মধ্যে ভাগ দেওয়ার পরও কিছু মাংস থেকে যায়। সেগুলো নষ্ট না করে বিক্রি করতে এখানে নিয়ে এসেছি।”
মাংস কিনতে আসা ইমরান বলেন, “সবাই তো কোরবানি দিতে পারে না। এখানে তুলনামূলক কম দামে ভালো মাংস পাওয়া যায়, তাই কিনতে এসেছি।”
নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের অনেক লোক যারা কোরবানি দেননি তারাই ক্রেতা হিসেবে এখানে আসেন। এই হাটে স্বাস্থ্যবিধি ও পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন চাঁদনীঘাট এলাকার ব্যবসায়ীরা।
ঢাকা/আজিজ/মাসুদ
হামে আক্রান্ত-উপসর্গে আরো ৮ শিশুর মৃত্যু