আপেল-কমলার দাম চড়া, বেড়েছে তরমুজ-বাঙ্গির বিক্রি
গরম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রাজধানীর ফলের বাজারে তরমুজ ও বাঙ্গির দিকে ঝুঁকছেন ক্রেতারা। অন্যদিকে আপেল-কমলার দাম চড়া।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) রাজধানীর রায়েরবাগ, যাত্রাবাড়ী ও কাপ্তান বাজার ঘুরে দেখা যায়, আপেল বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৩০০ থেকে ৩৮০ টাকায়। কমলা ২৮০ থেকে ৩৫০ টাকা, আর মাল্টা ২৬০ থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, গত কয়েক সপ্তাহে এসব ফলের দামে বড় কোনো পরিবর্তন নেই।
পাইকারি একজন ব্যবসায়ী বলেন, “আমদানি খরচ ও ডলারের দামের কারণে আপেল-কমলার দাম কমানো সম্ভব হচ্ছে না। গত রমজানে চাহিদা বাড়লেও এখন বাজার কিছুটা স্থির রয়েছে।”
তবে বাজারের চিত্র বদলে দিয়েছে গরম। দুপুরের দিকে তরমুজের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় বেশি দেখা যায়। আকারভেদে একটি তরমুজ ২০০ থেকে ৪৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কেজিপ্রতি ৪০ থেকে ৬০ টাকা। বাঙ্গি বা খরমুজ বিক্রি হচ্ছে প্রতি পিস ৮০ থেকে ১৮০ টাকায়।
যাত্রাবাড়ীর ফল বিক্রেতা কাশেম আলি বলেন, “সকাল থেকেই তরমুজ বিক্রি শুরু হয়, কিন্তু দুপুরের পর চাহিদা কয়েক গুণ বেড়ে যায়। অনেকেই এখন আপেলের বদলে তরমুজ নিচ্ছেন।”
একই চিত্র দেখা যায় কাপ্তান বাজার ও রায়েরবাগে। গরমে শরীর ঠান্ডা রাখতে এবং তুলনামূলক কম দামের কারণে তরমুজ-বাঙ্গির চাহিদা বেড়েছে বলে জানান বিক্রেতারা।
দেশি ফলের বাজারেও কিছুটা স্বস্তি রয়েছে। কলা ডজনপ্রতি ৮০ থেকে ১৪০ টাকা, পেয়ারা কেজি ৫০ থেকে ৯০ টাকা, পেঁপে ৫০ থেকে ৯০ টাকা, আনারস ৫০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এসব ফলের সরবরাহ ভালো থাকায় দামও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
রায়েরবাগের ক্রেতা সালেম হোসেন বলেন, “আগে সপ্তাহে এক দুবার আপেল-কমলা কেনা হতো। এখন সেটা কমিয়ে তরমুজ, কলা ও পেয়ারা বেশি কেনা হচ্ছে। এতে খরচও কমছে।”
ঢাকা/এএএম/এসবি