ঢাকা     মঙ্গলবার   ১৬ জুন ২০২৬ ||  আষাঢ় ২ ১৪৩৩ || ১ মহররম ১৪৪৮ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

শহীদ জিয়ার দূরদর্শী সিদ্ধান্তেই দেশে ব্যান্ড সংগীতে বিপ্লব এসেছে: আসিফ

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ২২:২২, ১৬ জুন ২০২৬   আপডেট: ২২:২৩, ১৬ জুন ২০২৬
শহীদ জিয়ার দূরদর্শী সিদ্ধান্তেই দেশে ব্যান্ড সংগীতে বিপ্লব এসেছে: আসিফ

আসিফ আকবর। ছবি: ফেসবুক থেকে নেওয়া

দেশে বিনোদন, সংস্কৃতি চর্চা ও সংগীতের বিকাশ নিয়ে মন্তব্য করেছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে তিনি বিনোদনকে মানুষের ষষ্ঠ মৌলিক চাহিদা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বান জানান।

আরো পড়ুন:

একই সঙ্গে দেশের ব্যান্ড সংগীতের বিকাশে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের অবদানের কথাও তুলে ধরেন।

সোমবার (১৬ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই স্ট্যাটাসে আসিফ আকবর বলেন, “জনবহুল বাংলাদেশে মানুষের জন্য পর্যাপ্ত বিনোদনের সুযোগ সৃষ্টি করা সময়ের দাবি। বিশেষ করে শিশুদের মানসিক বিকাশে সুস্থ বিনোদনের কোনো বিকল্প নেই। তার মতে, বিনোদনের অভাব মানুষের মধ্যে হতাশা, হিংস্রতা ও জিঘাংসার জন্ম দেয়; বিপরীতে খেলাধুলা ও সংস্কৃতি চর্চা মননশীল ও মানবিক সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।”

স্ট্যাটাসে তিনি স্মরণ করেন, “১৯৭৯-৮০ সালে চট্টগ্রামের সংগীতশিল্পীদের সঙ্গে এক বৈঠকে জিয়াউর রহমান দেশীয় বাদ্যযন্ত্রের পাশাপাশি পশ্চিমা বাদ্যযন্ত্র চর্চার ওপর গুরুত্বারোপ করেছিলেন। আসিফের দাবি, সে সময় পশ্চিমা বাদ্যযন্ত্র আমদানির ওপর কর প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, যার ইতিবাচক প্রভাব পরবর্তীকালে দেশের সংগীতাঙ্গনে পড়ে।”

তিনি লিখেছেন, “শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৭৯-৮০ সালে চট্টগ্রামের মিউজিশিয়ানদের সঙ্গে বৈঠক করেন। তিনি দেশীয় বাদ্যযন্ত্রের পাশাপাশি ওয়েস্টার্ন মিউজিক্যাল ইন্সট্রুমেন্টস চর্চার ওপর গুরুত্ব দেন এবং আমদানি কর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করেন। এর ফলেই নব্বইয়ের দশকে দেশে ব্যান্ড সংগীতে এক ধরনের বিপ্লব ঘটে।”

আসিফ আকবর ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে পশ্চিমা বাদ্যযন্ত্রের ওপর আরোপিত ৫ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহারের জন্য বর্তমান সরকারকেও ধন্যবাদ জানান।

তার মতে, “কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নির্ভর সংগীতের এই সময়ে আধুনিক বাদ্যযন্ত্র চর্চার সুযোগ বাড়লে দেশের সংগীত শিল্প আরো সমৃদ্ধ হবে।”

স্ট্যাটাসে তিনি বিশ্বকাপ ফুটবলের উদাহরণ টেনে বলেন, “বিশ্বের মুসলিম দেশগুলো সংগীত, খেলাধুলা ও সংস্কৃতি চর্চায় দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। তাই বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে বাংলাদেশকেও সাংস্কৃতিক বিকাশকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।”

সবশেষে শিশুদের জন্য বিনোদনকে মৌলিক অধিকার হিসেবে উল্লেখ করে দেশব্যাপী পরিকল্পিত সাংস্কৃতিক জাগরণ সৃষ্টির আহ্বান জানান এই শিল্পী। তিনি আশা প্রকাশ করেন, “দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে দেশে একটি শক্তিশালী ও টেকসই সাংস্কৃতিক বিপ্লব গড়ে তুলতে সরকার কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করবে।”

ঢাকা/রাহাত/সাইফ

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়