হরমুজ প্রণালি সচল করার শর্তে ইরানের সঙ্গে আলোচনায় রাজি যুক্তরাষ্ট্র
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, ইরান যদি হরমুজ প্রণালি খুলে দেয়, তাহলে দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ‘খুবই গুরুতর আলোচনায়’ বসতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র। দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের বরাত দিয়ে সিনহুয়া এই তথ্য জানিয়েছে। খবর দ্য স্টারের।
নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, ওয়াশিংটন হয়তো তেহরানের সঙ্গে ধাপে ধাপে এগোনোর নীতি গ্রহণ করতে পারে। এর অংশ হিসেবে তারা এমন একটি অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তি মেনে নিতে পারে, যা তাৎক্ষণিকভাবে ইরানের পারমাণবিক সমস্যার চূড়ান্ত সমাধান না করলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনবে।
স্থানীয় সময় রবিবার (২৪ মে) নয়াদিল্লি সফরকালে নিউ ইয়র্ক টাইমস-কে দেওয়া একটি সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎকারে রুবিও বলেন, “আপনি ৭২ ঘণ্টার মধ্যে একটি ন্যাপকিনের পেছনে খসড়া লিখে পারমাণবিক বিষয়ের মতো জটিল সমস্যার সমাধান করে ফেলতে পারেন না।”
রুবিও বলেন, “প্রথমত, হরমুজ প্রণালি অবিলম্বে পুনরায় খুলে দিতে হবে। এরপর আমরা পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণ, উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম এবং কখনো পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার বিষয়ে ইরানের প্রতিশ্রুতির মতো বিষয়গুলো নিয়ে নির্দিষ্ট প্যারামিটারের অধীনে খুবই গুরুতর আলোচনায় প্রবেশ করব।”
তিনি আরো যোগ করেন, “এতে কয়েক বছর সময় লাগবে না, তবে এই কারিগরি বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করতে কিছুটা সময় লাগবে।”
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইঙ্গিত দেন, দুই মাসের মধ্যে যদি এই আলোচনা ফলপ্রসূ না হয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর হামলার হুমকি পুনর্ব্যক্ত করতে পারে।
রুবিও বলেন, “শেষ পর্যন্ত, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে আমরা যা অর্জন করতে চাই তা নিশ্চিত হতে হবে। যদি তা না হয়, তাহলে আজ প্রেসিডেন্টের কাছে যে ধরনের বিকল্পগুলো খোলা রয়েছে, ৬০ দিন পরেও তার কাছে সেই সব বিকল্পই খোলা থাকবে।”
যুক্তরাষ্ট্র বা ইরান- কোনো পক্ষই এখনো এই বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি। তবে অনেক সমালোচক বলছেন, এ ধরনের একটি ধারাবাহিক চুক্তি পরবর্তী আলোচনাগুলোতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দরকষাকষির ক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে।
ঢাকা/ফিরোজ
জঙ্গল সলিমপুরে র্যাবের ক্যাম্পে সন্ত্রাসীদের গুলি, যৌথ বাহিনীর অভিযান