ঢাকা     রোববার   ১৯ এপ্রিল ২০২৬ ||  বৈশাখ ৬ ১৪৩৩ || ১ জিলকদ ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

মেসির সঙ্গে দ্বন্দ্ব নয়, ভেতরের সিদ্ধান্তেই বিদায় মাসচেরানো

ক্রীড়া ডেস্ক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৫:২৪, ১৯ এপ্রিল ২০২৬   আপডেট: ১৫:২৭, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
মেসির সঙ্গে দ্বন্দ্ব নয়, ভেতরের সিদ্ধান্তেই বিদায় মাসচেরানো

অবশেষে পরিষ্কার হলো বহু আলোচিত বিদায়ের রহস্য। হাভিয়ের মাসচেরানো ইন্টার মায়ামির কোচের দায়িত্ব ছাড়েননি কোনো দ্বন্দ্বের কারণে। বরং এটি ছিল সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত ও পেশাগত সিদ্ধান্ত। যা নিয়ে এতদিন নানা গুঞ্জনই ভেসে বেড়াচ্ছিল।

চলতি এপ্রিলের শুরুতে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়, মাসচেরানো ইন্টার মায়ামির প্রধান কোচের পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন। ২০২৪ সালে দায়িত্ব নেওয়া এই আর্জেন্টাইন কোচ ২০২৫ সালে ক্লাবকে এনে দেন তাদের ইতিহাসের প্রথম এমএলএস কাপ শিরোপা। সেই সাফল্যের মাত্র ৪ মাস পরই তার বিদায় অনেককেই অবাক করে।

আরো পড়ুন:

বিদায়ের সময় ৪১ বছর বয়সী এই কোচ শুধু বলেছিলেন, “ব্যক্তিগত কারণে আমি এই দায়িত্ব শেষ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।” তবে এমন সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা থেকেই শুরু হয় জল্পনা। বিশেষ করে ক্লাবের সবচেয়ে বড় তারকা লিওনেল মেসির সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে।

মাসচেরানো ও মেসির সম্পর্ক বহু পুরনো। জাতীয় দলে একসঙ্গে খেলে ২০১৪ বিশ্বকাপ ফাইনাল পর্যন্ত যাওয়া। আবার বার্সেলোনায় দীর্ঘ সময় একসঙ্গে কাটানো। সব মিলিয়ে তাদের বন্ধুত্ব সুপরিচিত। তবুও গুঞ্জন ওঠে, এই সম্পর্কেই নাকি চিড় ধরেছিল, যার ফলেই কোচের আকস্মিক বিদায়। এমনকি কেউ কেউ দাবি করেন, মেসির সঙ্গে দ্বন্দ্বের জেরেই তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

তবে বাস্তবতা ভিন্ন। এক নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, এসব গুঞ্জনের কোনো ভিত্তি নেই। বরং পরিস্থিতি এমন, “যখন কেউ আসে, বলা হয় সে মেসির বন্ধু বলেই এসেছে; আর যখন চলে যায়, তখন বলা হয় সে আর মেসির বন্ধু নেই।” অর্থাৎ, পুরো বিষয়টিই ছিল অনুমাননির্ভর ব্যাখ্যা।

প্রকৃতপক্ষে, গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই মাসচেরানো অনুভব করছিলেন, ক্লাবের সঙ্গে তার সময়টা যেন পূর্ণতা পেয়েছে। গত ডিসেম্বর শিরোপা জয়ের পর থেকেই ধীরে ধীরে তার মনে হয়েছে, নতুন পথে হাঁটার সময় এসেছে। সেই ভাবনা থেকেই তিনি ক্লাবকে নিজেই জানান, তিনি ব্যক্তিগতভাবে ভিন্ন পথে এগোতে চান এবং ক্লাবও যেন নতুন উদ্যমে এগিয়ে যেতে পারে।

বরং উল্টোটা হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। মাসচেরানোর বিদায়ে মেসিই হয়তো সবচেয়ে বেশি হতাশ। দীর্ঘদিনের সতীর্থ ও ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে তাদের সম্পর্ক এখনও অটুট। সাম্প্রতিক সময়ে মেসি আরও দুই পরিচিত মুখকেও হারিয়েছেন, যখন সার্জিও বুসকেটস এবং জর্ডি আলবা ২০২৫ মৌসুম শেষে অবসরে যান।

ঢাকা/আমিনুল

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়