সূচকের পতনে সপ্তাহ শুরু, বেড়েছে লেনদেন
দেশের ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রবিবার (১৯ এপ্রিল) সূচকের সামান্য পতনের মধ্যে দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। এ দিন ডিএসই ও সিএসইতে আগের কার্যদিবসের চেয়ে টাকার পরিমাণে লেনদেন কিছুটা বেড়েছে। তবে উভয় পুঁজিবাজারে লেনদেনে অংশ নেওয়া বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার এবং মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটের দাম কমেছে।
ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
বাজার পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, অনেক দিন ধরে পুঁজিবাজারে লেনদেনের শুরুতে সূচকের উত্থান দেখা গেলেও লেনদেনের শেষদিকে তা পতনে রূপ নেয়। তবে রবিবার সকাল থেকে ডিএসইর সূচকের উত্থানে লেনদেন শুরু হয়। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূচকের ঊর্ধ্বমুখীতা বাড়তে থাকে। তবে লেনদেন শেষ হওয়ার এক ঘণ্টা আগে সূচক পতনমুখী অবস্থানে চলে আসে। লেনদেন শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত সূচকের পতনমুখীতা প্রবণতা অব্যাহত ছিল।
ডিএসই ও সিএসই সূত্রে জানা গেছে, দিন শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের চেয়ে ৯.৩০ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৫ হাজার ২৪৭.৫৩ পয়েন্টে। ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৪.২২ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৬২.২১ পয়েন্টে এবং ডিএস ৩০ সূচক ০.০৮ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৯৯০.২২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
ডিএসইতে মোট ৪০৪টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে ১২৫টি কোম্পানির, কমেছে ২২৩টির এবং অপরিবর্তিত আছে ৫৬টির।
এ দিন ডিএসইতে মোট ৮১৯ কোটি ২০ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৮০৬ কোটি ১৫ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট।
অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সিএসসিএক্স সূচক আগের দিনের চেয়ে ৫.৪৫ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৯ হাজার ৩৫.০৩ পয়েন্টে। সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৯.৯৬ পয়েন্ট কমে ১৪ হাজার ৭৫১.৭৭ পয়েন্টে, শরিয়াহ সূচক ১.২১ পয়েন্ট কমে ৮৯৬.৫২ পয়েন্টে এবং সিএসই ৩০ সূচক ২২.৪৮ পয়েন্ট বেড়ে ১২ হাজার ৯৯৮.৭০ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
সিএসইতে মোট ১৯৮টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে ৫৮টি কোম্পানির, কমেছে ১০৮টির এবং অপরিবর্তিত আছে ৩২টির।
দিন শেষে সিএসইতে ৪১ কোটি ১৯ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৩১ কোটি ৪২ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট।
ঢাকা/এনটি/ইভা