Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     মঙ্গলবার   ১৩ এপ্রিল ২০২১ ||  চৈত্র ৩০ ১৪২৭ ||  ২৯ শা'বান ১৪৪২

জার্মানিতে যে ৫টি কাজ করা থেকে বিরত থাকবেন 

মো.মঈন ঊদ্দিন সাব্বির  || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৭:৫৯, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১   আপডেট: ১৮:০৯, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১
জার্মানিতে যে ৫টি কাজ করা থেকে বিরত থাকবেন 

মানুষ প্রতিনিয়তই ভীনদেশে পাড়ি জমায়। কেউ জীবিকার সন্ধানে, কেউ উচ্চশিক্ষা নিতে, কেউবা স্থায়ী বসবাসের উদ্দেশ্যে। বিদেশে থাকতে হলে অবশ্যই সে দেশের মানুষ, নিয়মকানুন ও সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা। এতে যেমন নিজ ব্যক্তিত্ব ফুটে ওঠে, তেমনি নিজ দেশের ভাবমূর্তি বাকিদের কাছে তুলে ধরা যায়। 

লেখক তারিক হক বেশ বহু বছর যাবত প্রবাসে রয়েছেন। তিনি থাকেন জার্মানির ওয়েসেল শহরে। সেখানের জীবনযাত্রা, সংস্কৃতি এবং নিয়মকানুন সম্পর্কে তিনি বেশ ভালোভাবেই জানেন। তাই নিজ অভিজ্ঞতা থেকে পাঠকদের উদ্দেশ্যে শেয়ার করেছেন কিছু কথা। সেগুলো তুলে ধরা হলো- 

১. বেশ ক’বছর আগের কথা। জার্মানি থেকে ঢাকায় গিয়েছিলাম ছুটিতে। রাত ১১টার দিকে ঘুমের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি, হঠাৎ বিকট শব্দে পাশের বিল্ডিং থেকে সাউন্ডবক্সে গান বেজে উঠলো। আমি বিস্মিত হয়ে ছোট ভাইকে ডেকে বললাম, 
- এ কি অবস্থা! তাই বলে এত রাতে!
আমার ভাই উত্তর দিলো- 
-রাত কোথায় হলো! রাত ১১টা থেকে তো ঢাকায় সন্ধ্যা নামে!
 জার্মানিতে এ কাজটি কোনো দিন করতে যাবেন না। এখানে রাত ১০টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত হচ্ছে বিশ্রামের সময়। এসময়ে যদি গান বাজানো শুরু করে দেন, আপনার প্রতিবেশী পুলিশকে ফোন করবে আর আপনাকে সারাটা রাত হাজতে কাটাতে হবে। 

২. জার্মানিতে গাড়ির রাস্তার পাশে স্পেশাল জায়গা করা থাকে সাইকেল চালানোর জন্য, তার পাশে রাস্তা পায়ে হেঁটে চলার জন্য। এখন আপনি যদি সাইকেলের রাস্তায় হাঁটেন, এটাকে কোনো জার্মান সহ্য করবে না। আপনাকে গালাগাল খেতে হবে। সুতরাং ভুলেও এই কাজটি করবেন না।

৩. বাসে বা ট্রেনে উঠলে সবসময় টিকিট কাটবেন। যদি বলেন তাড়াহুড়োর জন্য আগে টিকিট কাটতে পারেননি, এটা এখানে কোনো অজুহাত নয়, আপনাকে জরিমানা করা হবেই। 

৪. রেস্তোরাঁয় গিয়ে পানি চাইবেন না। আমি জানি পৃথিবীর অনেক দেশেই রেস্টুরেন্টে ঢুকলে ওয়েটার এক জগ শীতল পানি এনে দেয়, এটা তাদের সার্ভিস। তবে জার্মানিতে পানির খুব দাম। সুতরাং ওরা কখনো আপনাকে ট্যাপের পানিও ফ্রিতে দেবে না। 

৫. রাস্তায় যখন চলবেন, যদি কোনো কারণে ট্রাফিক লাইট লাল থাকে, রাস্তা ক্রস করবেন না। আপনি হয়তো এদিক-ওদিক তাকালেন, দেখলেন কেউ নেই, তবুও এই কাজটি করতে যাবেন না। কারণ, আপনি জানেন না কোথায় কোন পুলিশ রয়েছে, ধরতে পারলে ভীষণ জরিমানা করে দেবে। বলা দরকার জার্মান চ্যান্সেলরও যদি ট্রাফিক সিগন্যাল অমান্য করেন, উনারও ফাইন হবে। 

বলতে পারি, এই পাঁচটি নিয়ম মেনে চললে দেখবেন জার্মানিতে থাকতে কোনো অসুবিধা হবে না।

ঢাকা/মাহি 

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম

Bulletলকডাউন: ১৪-২১ এপ্রিল। যা যা চলবে: ১. বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল বন্দর এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিস। ২. পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না ৩. শিল্প-কারখানা ৪. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিসেবা, যেমন, কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর (স্থল, নদী ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বর্হিভূত থাকবে। ৫. ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ৬. খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কেবল খাদ্য বিক্রয়/সরবরাহ করা যাবে। ৭. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে || যা যা বন্ধ থাকবে: ১. সব সরকারি, আধাসরকারি, সায়ত্ত্বশাসিত ও বেসরকারি অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে ২. সব ধরনের পরিবহন (সড়ক, নৌ, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে ৩. শপিংমলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ থাকবে