ঢাকা     সোমবার   ২৫ মে ২০২৬ ||  জ্যৈষ্ঠ ১১ ১৪৩৩ || ৮ জিলহজ ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

দিয়াবাড়ী পশুর হাটে প্রাণিসম্পদমন্ত্রী

হাটে খামারি ও ক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সব ব্যবস্থা নেওয়া হ‌য়ে‌ছে

বিশেষ প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৪:৪০, ২৪ মে ২০২৬   আপডেট: ১৪:৪৫, ২৪ মে ২০২৬
হাটে খামারি ও ক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সব ব্যবস্থা নেওয়া হ‌য়ে‌ছে

রাজধানীর দিয়াবাড়ী পশুর হাট পরিদর্শন করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।

পশুর হাটে ব্যবসায়ী, খামারি ও ক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সব ধর‌ণের ব্যবস্থা ‌নেওয়া হ‌য়ে‌ছে ব‌লে জা‌নি‌য়ে‌ছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।

র‌বিবার (২৪ মে) রাজধানীর দিয়াবাড়ী পশুর হাট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

আরো পড়ুন:

মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, “চু‌রি ও ছিনতাই‌রোধসহ নিরাপদ হাট ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। জাল টাকা শনাক্তে হাটে বিশেষ মেশিন স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি হাট এলাকায় ব্যাংকিং সেবা রাখা হয়েছে, যাতে বিক্রেতারা নিরাপদে অর্থ জমা দিতে পারেন এবং প্রয়োজনে নতুন হিসাব খুলেও অর্থ সংরক্ষণ করতে পারেন।”

সীমান্তপথে আসা গবাদিপশুর বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “সরকার সীমান্তে অবৈধ পশু প্রবেশ রোধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। কোরবানির আগেই আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠকে সীমান্তরক্ষী বাহিনী, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”

দেশে কোরবানিযোগ্য গবাদিপশুর পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে জা‌নি‌য়ে মন্ত্রী ব‌লেন,  “এ বছর দেশীয়ভাবে উৎপাদিত পশু দিয়েই কোরবানির চাহিদা পূরণ সম্ভব হবে। দেশের কৃষক ও খামারিরা যে পরিমাণ গরু, ছাগল ও মহিষ উৎপাদন করেছেন, তা দেশের কোরবানির চাহিদা পূরণের জন্য যথেষ্ট।”

পশু হারিয়ে যাওয়া বা চুরির অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, “বড় হাটগুলোতে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্বেচ্ছাসেবক দল সার্বক্ষণিক কাজ করছে। হারিয়ে যাওয়া পশু উদ্ধারে মাইকিং, তদারকি এবং তাৎক্ষণিক সহায়তার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই হারানো পশু দ্রুত উদ্ধার করে মালিকের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে।”

কোরবানির পশুর মূল্য নিয়ে মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, “দেশে এখনো গঠন, স্বাস্থ্য, আকৃতি ও বাহ্যিক মান বিবেচনায় দরদামের মাধ্যমে পশু ক্রয়-বিক্রয় হয়। ফলে একই ধরনের পশুর দাম ভিন্ন হতে পারে। ভবিষ্যতে ধীরে ধীরে ওজনভিত্তিক বা ‘লাইভ ওয়েট’ পদ্ধতিতে পশু বিক্রির সংস্কৃতি গড়ে উঠলে মূল্য নির্ধারণ আরো স্বচ্ছ হবে।”

তিনি বলেন, “বাজারে হাজারো বিক্রেতা ও ক্রেতার উপস্থিতির কারণে কোনো ধরনের কৃত্রিম সিন্ডিকেট তৈরি করা কঠিন। বাজারের প্রতিযোগিতা ও চাহিদা-সরবরাহের ভিত্তিতেই পশুর দাম নির্ধারিত হয়।”

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন পশুর হাটে শৃঙ্খলা, নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু বেচাকেনা নিশ্চিত করতে সরকার প্রয়োজনীয় জনবল মোতায়েন করেছে এবং ঈদ পর্যন্ত এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন- প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান, অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. মো. বয়জার রহমান, অধিদপ্তরের প্রকল্প পরিচালক ডা. মো. আবদুর রহিম, ডা. মো. সফিকুর রহমানসহ মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

ঢাকা/নঈমুদ্দীন/মাসুদ

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়