লিটন ও মিঠুনের ফিফটি, সৌম্য আবারও ব্যর্থ
ক্রীড়া প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম
টানা দ্বিতীয় জয়ে বিসিবি সাউথ জোন নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের ফাইনাল। এখনও এক ম্যাচ বাকি আছে তাদের। কিন্তু রান রেট বেশ ভালো থাকায় দ্বিতীয় জয় দিয়েই বিসিএলের ফাইনালে চলে গেছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
দলের জয়ের সঙ্গে স্বস্তির খবর, রানে ফিরেছেন লিটন দাস। পঞ্চাশ ওভারের ক্রিকেটে লিটন নিজেকে হারিয়ে খুঁজছিলেন। আন্তর্জাতিক ওয়ানডেতে শেষ ১৪ ইনিংসে তার ব্যাটে কোনো ফিফটি নেই। শেষ আট ইনিংসে দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছতে পারেননি। বিসিএলের শুরুটাও ভালো ছিল না। ইষ্ট জোনের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে মাত্র ১০ রান করে আউট হন। ২৪ বলের ইনিংসে ছিল না কোনো বাউন্ডারি।
এক ম্যাচ পর আশার আলো দেখালেন তিনি। বৃহস্পতিবার রাজশাহী বিভাগীয় স্টেডিয়ামে ৬৫ বলে ৫৫ রান করেন লিটন। ৬ বাউন্ডারি আসে তার ব্যাট থেকে। সাউথ জোনের দেওয়া ১৪৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে নর্থ জোন ৬ উইকেটে জয় পায়। লিটন অপরাজিত ইনিংস খেলে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন।
লিটনের রান পাওয়ার দিনে আবারও ব্যর্থ হয়েছেন সাউথ জোনের ওপেনার সৌম্য সরকার। আগের ম্যাচে গোল্ডেন ডাক পাওয়া সৌম্য আজ থেমে যান ৯ রানে। ৮ বলে ২ চার হাঁকান তিনি। শরীফুলের বাউন্সার আপারকাট খেতে গিয়ে থার্ড ম্যান অঞ্চলে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি।
সাউথ জোনের ব্যাটিং এদিন একটু ভালো হয়নি। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৫৫ রান করেন মোহাম্মদ মিঠুন। ৭৯ বলে ৬ চার ও ১ ছক্কায় অপরাজিত থাকেন তিনি। বাকিরা এসেছেন আর ফিরেছেন। আসিনুল ০, জাওয়াদ ৪, আফিফ ৪, সোহান ২৪ এবং রবিউল ২৯ রান করেন।
নতুন বলে শুরুতে আগুন ঝরান নাহিদ রানা। টপ অর্ডারের ৩ উইকেট নেন তিনি। সব মিলিয়ে ৭ ওভারে ৪৭ রানে তার শিকার ছিল ৩ উইকেট। ম্যাচ সেরাও নির্বাচিত হন তিনি। এছাড়া ৫ ওভারে ১০ রানে ৩ উইকেট নেন মেহরব হাসান। ২টি করে উইকেট পেয়েছেন শরীফুল ও মুকিদুল।
জবাব দিতে নেমে লিটনের অপরাজিত ৫৫ রানের ইনিংসে ২৫.৪ ওভারে জয় পায় নর্থ জোন। তাওহীদ হৃদয় করেন ৩৩ রান। রান পাননি নাজমুল হোসেন শান্ত। শূন্য রানে মোস্তাফিজুরের শিকার হন তিনি। এর আগে মোস্তাফিজুর নেন হাবিবুর রহমান সোহানের উইকেট। আরেক ওপেনার তানজিদ হাসান তামিমের উইকেটও পান এই বাঁহাতি।
পুঁজি বড় না হওয়ায় সাউথ জোনের বোলাররা তেমন লড়াই করতে পারেনি। মোস্তাফিজুর ৫ ওভারে ২৩ রানে নেন ৩ উইকেট।
ঢাকা/ইয়াসিন