নাহিদের তিনে তিনে
:: সংক্ষিপ্ত স্কোর ::
পাকিস্তান: ৫৫/৩ (১৪ ওভার)
টানা তিন ওভারে তিন উইকেট নিলেন পেসার নাহিদ রানা। এবার তার শিকার মাজ সাদাকাত।
ফের নাহিদের দ্রুতগতির শর্ট বলে আউট হলেন পাকিস্তানের ব্যাটসম্যান। উইকেটে থিতু হওয়া সাদাকাত নাহিদের শর্ট বল উড়াতে চেয়েছিলেন। বল টপ এজ হয়ে যায় ফাইন লেগে। দৌড়ে সামনে এসে সেই ক্যাচ নেন সাইফ। ২৮ বলে ১৮ রান করে সাদাকাত ফিরলেন সাজঘরে। পাকিস্তান নাহিদের তোপে হারাল তৃতীয় উইকেট।
নাহিদের তোপে শামিল আউট
পরপর দুই ওভারে দুই উইকেট নিলেন নাহিদ রানা। পাকিস্তানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙার পর নাহিদের তোপে পুড়লেন শামিল হোসেন। ডানহাতি পেসারের বল তুলে মারতে গিয়ে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন ৭ বলে ৪ রান করা শামিল।
এর আগে মিরাজের বলে হাওয়ায় ক্যাচ ভাসিয়েছিলেন শামিল। কিন্তু লং অনে রানিং সেই ক্যাচ নিতে পারেননি তানজিদ হাসান। অভিষিক্ত শামিল জীবনটা কাজে লাগাতে পারেননি।
নাহিদ রানা ফেরালেন শাহিবজাদাকে
ভালো শুরুর পর পাওয়ার প্লে’র শেষ ওভারের শেষ বলে উইকেট হারাল পাকিস্তান। বাংলাদেশকে ব্রেক থ্রু এনে দিয়েছেন পেসার নাহিদ রানা। তিনি ফিরিয়েছেন শাহিবজাদা ফারহানকে। তার শর্ট বলে পয়েন্টে ক্যাচ দেন শাহিবজাদা।
নতুন বলে শুরুতে উইকেট নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল বাংলাদেশের। কিন্তু সেই পরিকল্পনায় প্রায় ভেস্তে দিচ্ছিলেন পাকিস্তানের দুই ওপেনার শাহিবজাদা ফারহান ও মাজ সাদাকাত। দুই ওপেনার পাওয়ার প্লে’তে দারুণ ব্যাটিং করে ৪১ রান তুলে নেন।
দুজনেরই আজ অভিষেক হয়েছে। কিন্তু ব্যাটিংয়ে বিন্দুমাত্র জড়তা ছিল না তাদের। প্রথমে তাসকিন ও মোস্তাফিজুরকে সামলানোর পর মিরাজ ও নাহিদকে দেখেশুনে খেলে রান তুলেছেন অনায়েসে।
বাংলাদেশ দশম ওভারের শেষ বলে সাফল্য পায় নাহিদ রানার হাত ধরে। নিজের প্রথম ওভারের শেষ বলে তিনি ফেরান শাহিবজাদাকে। ৩৮ বলে ৪টি চারে ২৭ রান করেন শাহিবজাদা।
উইকেটে নতুন ব্যাটসম্যান শামিল হোসেন।
টস জিতে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ
তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটিতে মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান। ইতোমধ্যে টস হয়েছে। টস জিতেছেন বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ।
টস জিতে মিরাজ বলেছেন, ‘‘আমাদের বোলিং আক্রমণ ভালো। যদি প্রথম ১০ ওভারের মধ্যে কিছু উইকেট নিতে পারি তাহলে ভালো হয়। আমাদের দলে তিনজন ফাস্ট বোলার, দুজন স্পিনার এবং ছয়জন ব্যাটার রয়েছে।’’
পাকিস্তান আজ চারজন নতুন মুখ নিয়ে মাঠে নেমেছে। তারা হলেন- শাহিবজাদা ফারহান, মাজ সাদাকাত, শামিল হোসেন ও আবদুল সামাদ। ২০০৮ সালের পর এই প্রথম পাকিস্তান কোনো ওয়ানডে ম্যাচে একসাথে চারজন খেলোয়াড়ের অভিষেক ঘটাচ্ছে।
পাকিস্তানের বিপক্ষে এ পর্যন্ত ৩৯টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলে বাংলাদেশ জিতেছে মাত্র ৫টিতে। পক্ষান্তরে পাকিস্তান জিতেছে ৩৪টি ম্যাচে। আজ ব্যবধান কমে না বাড়ে সেটাই দেখার বিষয়।
বাংলাদেশ একাদশ:
সাইফ হাসান, তানজিদ হাসান তামিম, তাওহীদ হৃদয়, নাজমুল হোসেন শান্ত, লিটন দাস (উইকেটরক্ষক), আফিফ হোসেন, মেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), রিশাদ হোসেন, তাসকিন আহমেদ, নাহিদ রানা ও মোস্তাফিজুর রহমান।
পাকিস্তান একাদশ:
শাহিবজাদা ফারহান, মাআজ সাদাকাত, শামিল হোসেন, মোহাম্মদ রিজওয়ান (উইকেটরক্ষক), সালমান আলী আগা, হোসেন তালাত, আব্দুল সামাদ, ফাহিম আশরাফ, শাহীন শাহ আফ্রিদি (অধিনায়ক), মোহাম্মদ ওয়াসিম ও আবরার আহমেদ।
ঢাকা/আমিনুল