ঢাকা     রোববার   ১২ এপ্রিল ২০২৬ ||  চৈত্র ২৯ ১৪৩২ || ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

আমার মনোনয়নপত্র বাতিলের চেষ্টা করেছিল বিজেপি: মমতা

কলকাতা ব্যুরো || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ২২:৩০, ১১ এপ্রিল ২০২৬  
আমার মনোনয়নপত্র বাতিলের চেষ্টা করেছিল বিজেপি: মমতা

বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রতিদিন তিন থেকে চারটি জনসভা করছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর মধ্যে শনিবার পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার কেশিয়াড়ির জনসভা থেকে বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন তিনি। মমতা দাবি করেছেন, ভবানীপুরে তার মনোনয়ন বাতিল করার চেষ্টা করেছে বিজেপি। কিন্তু চেষ্টা করেও পারেনি। 

শনিবার কেশিয়াড়িতে দলীয় প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারণায় উপস্থিত থেকে মমতা বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, “মিথ্যে হলফনামা করে আমার মনোনয়নপত্র বাতিল করার চেষ্টা করেছিল, যাতে আমি নির্বাচনে দাঁড়াতে না পারি। যদিও তারা শেষ পর্যন্ত পারেনি।”

আরো পড়ুন:

মমতার অভিযোগ , নির্বাচনে যাতে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে না পারেন তারও একটা চক্রান্ত চালানো হয়েছিল। 

তৃণমূলকে ক্ষমতায় আনার আহ্বান জানিয়ে দলনেত্রী বলেন, “কে প্রার্থী, ভুলে যান। সরকারটা আমিই গড়বো। ২৯৪ টা কেন্দ্রে আমিই প্রার্থী। এটা মনে রাখবেন।”

তিনি আরো বলেন, “বাংলাকে ভাগ করার চক্রান্ত নিয়ে বিজেপি সরকার নির্বাচন চলাকালীন সময়ে দেশের সংসদে ডিলিমিটেশন বিল নিয়ে আসছে। কত বড় অন্যায় দেখুন! এরা নির্বাচন শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারল না।” 

সবার জন্য এক আইন (ইউসিসি) চালু  করার ঘোষণার বিরোধিতা করে মমতা বলেন, “এর অর্থ আপনাদের ধর্মচর্চা করার বা সংস্কৃতি পালন করার কোনো নিজস্ব অধিকার থাকবে না। এতে মানুষের ধর্ম, শিক্ষা, ঐতিহ্য সমস্ত কিছু কেড়ে নেওয়া হবে। আমরা সকলেই এটার বিরোধিতা করব।”

ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া বা এসআইআর প্রক্রিয়ায় ৯০ লাখের বেশি ভোটারের নাম বাদ যাওয়া নিয়েও কেন্দ্রকে নিশানা করেন পশ্চিমবঙ্গের মমতা। তার অভিযোগ, “এসআইআর একটা বড় স্ক্যাম। বিজেপিকে ক্ষমতায় আনার জন্য একক প্রচেষ্টা। এটা একদিন প্রমাণিত হবে। আমরা সেই দিনের জন্য অপেক্ষা করছি।  ৯০ লাখ মানুষের নাম কেটে গেছে, এরমধ্যে ৬০ লাখ হিন্দু, ৩০ লাখ মুসলিম।”

মুর্শিদাবাদ জেলার জঙ্গিপুরে পাল্টা নির্বাচনী প্রচারণা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, “মা-মাটি-মানুষের স্লোগান দিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস বাংলায় ক্ষমতায় এসেছিল কিন্তু এখন তারা এই রাজ্যে অনুপ্রবেশকারীদের ভোটে অনুপ্রবেশকারীদের সরকার বানাতে চায়। কিন্তু আমরা তৃণমূলকে অনুপ্রবেশকারীদের সরকার বানাতে দেব না। এই কারণে এই নির্বাচন কেবল রাজনৈতিক ক্ষমতা পরিবর্তনের নির্বাচন নয়, এই নির্বাচন বাংলার নিজের পরিচয় বাঁচিয়ে রাখার।”
 

ঢাকা/সুচরিতা/শাহেদ

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়