ঢাকা     শুক্রবার   ০১ মে ২০২৬ ||  বৈশাখ ১৮ ১৪৩৩ || ১৩ জিলকদ ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

দেশের ১৭ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস

বিশেষ প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৩:৪২, ১ মে ২০২৬   আপডেট: ১৩:৪৪, ১ মে ২০২৬
দেশের ১৭ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস

ফাইল ফটো

 দেশের ১৭ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দর গুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। 

শুক্রবার (১ মে) ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আরো পড়ুন:

পূর্বাভাস অনুযায়ী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এসব অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টি হতে পা‌রে। 

এ‌দিকে, ঢাকায় আজ শুক্রবার ভোরের দিকে বৃষ্টি শুরু হয়। ভোর ৫ টার কিছু পর থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত বৃষ্টি হয়। ফ‌কিরাপুল, নয়াপল্টন, মুগদা, গ্রিনরোড, কারওয়ান বাজার, পান্থপথ, ধানমন্ডির রবীন্দ্র সরোবরের পাশের রাস্তা, জিগাতলা, পশ্চিম তেজতুরী বাজার, পশ্চিম শ্যাওড়াপাড়া, মিরপুর ১০, কাজীপাড়া, মালিবাগ রেলগেট, মৌচাক, মগবাজার, হাতিরঝিলে সড়কের মধুবাগ এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় রাস্তায় পানি জমে। ফলে যাতায়াতে নগরবাসীকে ভোগা‌ন্তি‌তে পড়‌তে হ‌য়ে‌ছে। 

রাস্তায় অ‌টো‌রিকশার দাপ‌টে অসহায় যাত্রী সকাল থে‌কে পা‌নি ডি‌ঙ্গি‌য়ে রাজধানীর বি‌ভিন্ন এলাকায় চলাচল কর‌ছেন শ্রমজীবী মানুষ। পা‌নি‌তে ময়লা আবর্জনায় ভরা। 

পা‌নি‌র মধ্যে দিয়ে হে‌টে যাওয়া কর্মজীবী জিয়াউ‌দ্দিন জানান, সকাল‌ থে‌কে বৃ‌ষ্টি। ছুটির দি‌নেও ভোগা‌ন্তি। বাজার কর‌তে গি‌য়ে কারওয়ান বাজা‌রে এ‌সে ময়লা পা‌নি‌তে একাকার হ‌য়ে গেছি। কাপড় ভি‌জে যাওয়ায় কো‌নো রক‌মে বাসায় এ‌সে‌ছি। রিকশা নিতে চেয়েছিলাম বাড়িতে ফিরতে। চালকরা দ্বিগুণ ভাড়া দাবি করে।” 

কখনো হে‌টে, কখনো রিকশা চ‌ড়ে রাজধানীর খিলগাঁও এলাকা থেকে  ম‌তি‌ঝি‌লে যান নাজমু‌দ্দিন। প‌থে প‌থে ভোগা‌ন্তি‌তে পড়‌তে হ‌য়ে‌ছে তা‌কে।

গত র‌বিবার থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। এতে অন্তত এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলা তাপপ্রবাহ কমে আসে। গত মঙ্গলবার রাত থেকে শুরু করে আজ শুক্রবার সকাল পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি হয়। বৃহস্পতিবার সকালের পর একটানা বৃষ্টি কমে আসে।

গত র‌বিবার সারাদিনে সর্বোচ্চ বৃষ্টি রেকর্ড করা হয় চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ৬০ মিলিমিটার। আগের দিন সর্বোচ্চ বৃষ্টি হয়েছিল পটুয়াখালীর খেপুপাড়ায় ১২১ মিলিমিটার। বৃহস্পতিবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

ঢাকা/নঈমুদ্দীন/মাসুদ

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়