হরমুজ প্রণালির বিকল্প হিসেবে স্থলপথ ব্যবহার করছে জাহাজ কোম্পানিগুলো
হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বাণিজ্য পথের ধরন বদলে যাচ্ছে। কন্টেইনারবাহী জাহাজগুলো এখন পণ্য গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য স্থলপথ ব্যবহার করছে। শুক্রবার (১ মে) বার্তা সংস্থা এএফপি এ তথ্য জানিয়েছে।
লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক সূত্রের মতে, হরমুজ প্রণালি অবরোধের ফলে জাহাজ মালিকরা ট্রাকের মাধ্যমে খাদ্যদ্রব্য ও উৎপাদিত পণ্য সরবরাহের জন্য বিকল্প স্থলপথ খুঁজতে বাধ্য হয়েছেন। কারণ তারা আর সমুদ্রপথে উপসাগরীয় উপকূলীয় দেশগুলোতে পৌঁছাতে পারছেন না।
এএফপি এর মতে, লোহিত সাগরের তীরে অবস্থিত সৌদি আরবের জেদ্দা বন্দর একটি নতুন আঞ্চলিক ‘হাব’ বা কেন্দ্রস্থল হয়ে উঠছে। সেখানে সামুদ্রিক খাতের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান এমএসসি, সিএমএ সিজিএম, মার্স্ক এবং কসকো-র জাহাজগুলো সুয়েজ খাল হয়ে এসে পৌঁছায়। এরপর পণ্যগুলো মরুভূমির একটি মহাসড়ক ধরে ট্রাকে করে শারজাহ, বাহরাইন এবং কুয়েতের মতো জায়গায় পৌঁছে দেওয়া হয়।
ফ্রেইট ফরওয়ার্ডার ওভারসি-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা আর্থার ব্যারিলাস ডি থে বলেছেন, “জেদ্দা বন্দর এত বিপুল পরিমাণ আমদানি সামাল দেওয়ার জন্য মোটেও উপযুক্ত নয় এবং বন্দরে যানজটের পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে।”
জাহাজ মালিকরা জানিয়েছেন, তারা হরমুজ প্রণালির বাইরের তিনটি বন্দরও ব্যবহার করবেন – ওমানের সোহর এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের খোর ফাক্কান ও ফুজাইরাহ বন্দর। প্রতিবেদন অনুসারে, জর্ডানের আকাবা বন্দর ইরাকের বাগদাদ ও বসরায় পণ্য পাঠানোর ঘাঁটি হিসেবে কাজ করে, অন্যদিকে একটি তুর্কি করিডোরও উত্তর ইরাকে পণ্য প্রবেশের অনুমতি দিচ্ছে।
ঢাকা/শাহেদ
‘পয়লা মে দিবস’ এর ইতিহাস