জ্বর কমানোর বিষয়ে যা জানা জরুরি
দেহঘড়ি ডেস্ক || রাইজিংবিডি.কম
ছবি: সংগৃহীত
জ্বরকে অনেক সময় হাইপারথার্মিয়া, পাইরেক্সিয়া বা শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি বলা হয়। এটি সাধারণত কোনো অসুস্থতার প্রতিক্রিয়া হিসেবে দেখা দেয়। এছাড়া রোদে পোড়া বা টিকা নেওয়ার পরেও জ্বর হতে পারে।যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল, তাদের ক্ষেত্রে জ্বর তুলনামূলক বেশি হতে পারে। সাধারণত জ্বর অস্থায়ী এবং নিজে নিজেই সেরে যায়। তবে তীব্র জ্বর কোনো গুরুতর অসুস্থতার লক্ষণ হতে পারে, যা জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন নির্দেশ করে।
জ্বরের প্রধান উপসর্গ
সব জ্বর একরকম নয়, এবং এর উপসর্গও ভিন্ন হতে পারে। আপনার শারীরিক অবস্থা ও উপসর্গ দেখে জ্বরের চিকিৎসা নির্ধারণ করা উচিত। জ্বরের সাথে নিচের উপসর্গগুলো দেখা দিতে পারে— দুর্বলতা, মাথা ঘোরা, ক্ষুধামন্দা, মাথাব্যথা, শরীর ব্যথা, ঘাম হওয়া, কাঁপুনি, বমিভাব, বমি এবং ত্বকে র্যাশ।
জ্বর কমতে কত সময় লাগে
বেশিরভাগ জ্বর কয়েক দিনের মধ্যেই নিজে থেকেই সেরে যায়। তবে যদি জ্বর খুব বেশি হয় বা দীর্ঘদিন ধরে থাকে, তাহলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া প্রয়োজন।
জ্বর হলে আপনি ঘরে বসেই কিছু সহজ উপায়ে তা কমাতে পারেন—যেমন
- বিশ্রাম নিন
- প্রচুর পানি পান করুন, যাতে শরীরের পানিশূন্যতা না হয়
- জ্বর কমানোর জন্য প্যারাসিটামল এর মতো ওষুধ নিতে পারেন
- শরীর ঠান্ডা রাখতে অতিরিক্ত কাপড় বা কম্বল সরিয়ে ফেলুন (যদি ঠান্ডা না লাগে)
- জ্বর থাকা অবস্থায় অন্যদের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন
জ্বর খুব বেশি হলে বা দীর্ঘস্থায়ী হলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি।
সূত্র: হেলথলাইন
ঢাকা/লিপি
ছুটির দিনেও তেলের জন্য দীর্ঘ সারি