আকবরের দাপুটে সেঞ্চুরি, রান পাননি লিটন
বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে যার দিকে নজর ছিল সবার তিনি পারেননি নিজেকে মেলে ধরতে। ৫০ ওভারের ক্রিকেটে ফিরে লিটন দাস কেমন করেন তা নিয়ে জল্পনা কল্পনা ছিল। বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের ওয়ানডে ফরম্যাটের প্রতিযোগিতার প্রথম রাউন্ডে রান পাননি তিনি। নর্থ জোনের হয়ে মাঠে নেমে ইস্ট জোনের বিপক্ষে মাত্র ১০ রান করে আউট হন।
পেসার খালেদের ভেতরে ঢোকানো বলে বোল্ড হন। ২৪ বলের ইনিংসে ছিল না কোনো বাউন্ডারি। আন্তর্জাতিক ওয়ানডেতে শেষ ১৪ ইনিংসে তার ব্যাটে কোনো ফিফটি নেই। শেষ আট ইনিংসে দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছতে পারেননি। ঘরোয়া ক্রিকেটেও পারফরম্যান্সের খরা চলছেই তার।
লিটনের অনুজ্জ্বল দিনে আলো ছড়িয়েছেন আকবর আলী। দারুণ সেঞ্চুরিতে দলকে জিতিয়েছেন তিনি। তার ৮৭ বলে ১১১ রানের ইনিংসে ভর করে নর্থ জোন আগে ব্যাটিং করতে নেমে সবকটি উইকেট হারিয়ে ৩৩৫ রান করে। জবাব দিতে নেমে মুমিনুলের ৮৩ রানে ইস্ট জোন ২৮১ রানের বেশি করতে পারেনি। ৫৪ রানের জয় দিয়ে প্রতিযোগিতা শুরু করলো নর্থ জোন। ম্যাচসেরা নির্বাচিত হওয়া আকবর ৮ চার ও ৬ ছক্কায় ১১১ রানের ইনিংসটি খেলেন।
নর্থ জোনের হয়ে ফিফটি ছুঁয়েছেন তানজিদ হাসান তামিম ও অধিনায়ক নাজমুর হোসেন শান্ত। তানজিদ ৫৪ ও শান্ত ৬৮ রান করেন। লিটন নেমেছিলেন ৪ নম্বরে। ইনিংসের ১৪তম ওভারে। কিন্তু সবাইকে হতাশ করে সাজঘরে ফেরেন তিনি। ইস্ট জোনের সেরা বোলার ছিলেন খালেদ আহমেদ। ৫২ রানে ৪ উইকেট নেন তিনি। ২টি করে উইকেট পান হাসান মাহমুদ ও সাইফ উদ্দিন।
বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকে জবাব দিতে পারেনি ইস্ট জোন। উইকেট ভালো থাকলেও প্রত্যাশিত রান আসেনি। ওপেনার জাকির হাসান ৮ রানে সাজঘরে ফেরেন। আরেক ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন ভালো শুরুর পর ৩৫ রানে থেমে যান। অমিত হাসান করেন ২২ রান। হাল ধরার চেষ্টা করেন অধিনায়ক ইয়াসির ও মুমিনুল। দুজন যতক্ষণ ক্রিজে ছিলেন ততক্ষণ আশা ছিল। কিন্তু তাদের ৭১ রানের জুটি ভাঙার পর আর কেউ ভালো কিছু করতে পারেননি। মুমিনুল সর্বোচ্চ ৮৩ রান করেন ৭ চার ও ১ ছক্কায়। নাঈম হাসান ৪৩ বলে ৫০ রান করে পরাজয়ের ব্যবধান কমিয়ে আনেন। বল হাতে লেগ স্পিনার রিশাদ ৫৭ রানে ৪ উইকেট নেন। ২টি করে উইকেট পেয়েছেন নাহিদ রানা ও মেহরব হাসান।
ঢাকা/ইয়াসিন/আমিনুল