প্যানিক বায়িং হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: জ্বালানিমন্ত্রী
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।
বৈশ্বিক জ্বালানি অস্থিরতার মধ্যেও দেশে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা চলছে।তবে আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত কেনাকাটা শুরু হলে তা সামাল দেওয়া কঠিন হবে বলে সতর্ক করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি বলেন,“বিশ্বজুড়েই জ্বালানি সংকট একটি বড় বাস্তবতা। বাংলাদেশেও এর প্রভাব রয়েছে, তবে সরকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে। এ অবস্থায় জনগণের প্রতি তার আহ্বান—প্রয়োজন অনুযায়ী জ্বালানি কিনতে হবে, অপ্রয়োজনে মজুত করা থেকে বিরত থাকতে হবে। অন্যথায় কৃত্রিম সংকট তৈরি হতে পারে।”
পটুয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
এর আগে ওই সংসদ সদস্য অভিযোগ করেন, “জ্বালানি সংগ্রহ করতে গিয়ে জনপ্রতিনিধিরাও বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়ছেন। কোথাও কোথাও পাম্পে তেল না পেয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। বিশেষ করে তার নির্বাচনি এলাকা বাউফলে পেট্রোল পাম্প না থাকায় ডিলারদের অনিয়মের সুযোগ তৈরি হয়েছে।”
অনেক ক্ষেত্রে দোকান বন্ধ রেখে বাসাবাড়িতে তেল বিক্রির অভিযোগও তোলেন তিনি।
এ বিষয়ে জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, “সরকার নির্ধারিত পরিমাণ অনুযায়ী জ্বালানি সরবরাহ করছে। তবে কোনো এলাকায় ডিলাররা ইচ্ছাকৃতভাবে সরবরাহ বন্ধ রাখলে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানাতে হবে। তারা ব্যবস্থা নেবে।”
দোকানপাট রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ রাখার নির্দেশনার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে অনেক দেশই সাশ্রয়ী নীতি গ্রহণ করেছে। বাংলাদেশও সেই বাস্তবতায় জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য জনগণের সহযোগিতা কামনা করছে।”
ঢাকা/এএএম/এসবি
আদানির সঙ্গে চুক্তি সংশোধনের বিষয়টি বিবেচনাধীন: জ্বালানিমন্ত্রী